
২০২১ সালের পর প্রথমবারের মতো জনপ্রিয়তায় কনজার্ভেটিভদের তুলনায় কিছুটা এগিয়েছে লিবারেলরা। ইপসসের সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
সমীক্ষাটি করেছে ইপসস পাবলিক অ্যাফেয়ার্স। সমীক্ষায় উঠে এসেছে, আগামীকাল যদি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাহলে মনস্থির করা ভোটারদের ৩৮ শতাংশ লিবারেলদের ভোট দেবেন। পক্ষান্তরে কনজার্ভেটিভদের ভোট দিতে চান মনস্থির করা ভোটারদের ৩৬ শতাংশ। ছয় সপ্তাহ আগে যেখানে কনজার্ভেটিভদের জনপ্রিয়তা লিবারেলদের তুলনায় ২৬ পয়েন্ট বেশি ছিল।
২১ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটার হওয়ার যোগ্য বয়সী এক হাজার মানুষের ওপর সমীক্ষাটি চালানো হয়। এ মাসের গোড়ার দিকে ইপসসের প্রকাশিত পূর্ববর্তী সমীক্ষার চেয়ে এবারের সমীক্ষায় লিবারেলদের সমর্থন ১০ পয়েন্ট বেড়েছে।
সাম্প্রতিক একাধিক সমীক্ষার মতো ইপসসের এই সমীক্ষাতেও এটা উঠে এসেছে যে, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে জাস্টিন ট্রুডোর পদত্যাগের ঘোষণার পর থেকে সাত সপ্তাহে জনপ্রিয়তায় কনজার্ভেটিভদের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে আনছে লিবারেলরা। এ ছাড়া আগামী সপ্তাহ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের ফলে দেশ যে ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে সেটাও এই ব্যবধান কমাতে ভূমিকা রাখছে।
এদিকে মনস্থির করা ভোটারদের সমর্থন ৫ পয়েন্ট হারিয়েছে কনজার্ভেটিভরা। কাকে ভোট দেবেন সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা ভোটারদের মধ্যে সমর্থন কমেছে এনডিপি এবং ব্লক কুইবেকোয়িসেরও। উভয় দলের সমর্থন যথাক্রমে ১২ ও ৬ পয়েন্ট করে কমেছে সাম্প্রতিক সমীক্ষায়।
ফেব্রুয়ারির গোড়ার দিকে ইপসসের পরিচালিত সমীক্ষায় মনস্থির করা ভোটারদের ৪১ শতাংশ পিয়েরে পয়লিয়েভরের কনজার্ভেটিভ পার্টিকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছিলেন। লিবারেলদের ভোট দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন মনস্থির করা ভোটারদের ২৮ শতাংশ।
তবে তার আগে জানুয়ারির সমীক্ষায় লিবারেলদের অবস্থা আরও খারাপ ছিল। জানুয়ারিতে লিবারেলদের ভোট দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন মাত্র ২০ শতাংশ কানাডিয়ান ভোটার, যা ঐতিহাসিক সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে মাত্র ১ পয়েন্ট বেশি। ২০১১ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় মাইকেল ইগনাটিয়েফের অধীনে দলের জনপ্রিয়তা এ যাবৎকালের সর্বনিম্নর নেমে গিয়েছিল।
এদিকে সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৮৬ শতাংশ কানাডিয়ান দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফেডারেল নির্বাচন চেয়েছেন, যাতে করে ট্রাম্পের সঙ্গে শুল্ক নিয়ে কাজ করার জন্য কানাডা একজন শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী ও শক্তিশালী একটি সরকার পায়।
