
বিক্ষোভকারীরা রোববার কানাডার বেশ কিছু শহরে সমাবেশ করেছে। কানাডার সার্বভৌমত্বের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রতিবাদে এই সমাবেশ।
গত সপ্তাহে কানাডার ওপর প্রত্যাশার চেয়ে নমনীয় শুল্ক আরোপ এবং গত এক সপ্তাহে হোয়াইট হাউস থেকে অধিক আন্তরিক সুর সত্ত্বেও কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার ব্যাপারে ট্রাম্পের মন্তব্য কানাডিয়ানদের কানে অব্যাহতভাবে বেজে চলেছে।
অপমানসূচক এসব মন্তব্যের বিরুদ্ধে সংহতি জানাতে মন্ট্রিয়লে শত শত মানুষ মাউন্ট রয়্যাল পার্কে জড়ো হন। ৩৬ বছর বয়সী জোনাথন ট্রিভিসোন্নো বলেন, আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকির সত্যিই কোনো মানে হয় না। ট্রাম্পের কাছ থেকে সংযোজনের কথা প্রথম শোনার পর আমি ব্যথিত হয়েছি। সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে গভর্নর জাস্টিন ট্রুডো হিসেবে ট্রাম্পের সম্বোধনের প্রসঙ্গটিও উল্লেখ করেন তিনি।
হ্যালিফ্যাক্সে শত শত মানুষ কনভেণশন সেন্টারের বাইরে জমায়েত হন। কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সমাবেশে উপস্থিত হয়েছিলেন ডেবি বেকার। তিনি বলেন, এই প্রথম তিনি কোনো ধরনের সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন। এখন আমার বয়স ৬৬ বছর। আমি মনে করি, রুখে দাঁড়ানোর এবং কিছু বলার সময় হয়েছে। আমি একজন গর্বিত কানাডিয়ান, গর্বিত মেরিটাইমার, গর্বিত নোভা স্কশিয়ান এবং কেউ যদি চেষ্টা করে ও কানাডার নিয়ন্ত্রণ নেয় তাহলে আমি তার বিরুদ্ধে রখে দাঁড়াবো। তা সে কানাডার কোনো নির্বাচিত কর্মকর্তাই হোন বা সীমান্তের দক্ষিণের কেউ হোন।
দুই দিনের আটলান্টিক কানাডা সফর শেষে র্যালিতে অংশ নেন এনডিপি নেতা জাগমিত সিং। এ সময় তিনি ছাতা ও কানাডিয়ান পতাকার সমুদ্রে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে করমর্দন করেন ও সেলফি তোলেন।
ম্যানিটোবায় প্রিমিয়ার ওয়াব কিনিউ বলেন, কানাডার পক্ষে একটি সমাবেশের আয়োজনে তার সরকার সহায়তা করেছে, যাতে করে বাসিন্দারা আঞ্চলিক ও জাতীয় গর্ব তুলে ধরতে এবং এই দেশটি যে কখনো যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হবে নাÑএই বার্তা দিতে পারেন।
