
কনজারভেটিভ দলকে পিছনে ফেলে ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে লিবারেল পার্টির নেতৃত্বে নির্বাচিত হন মার্ক কার্নি। জানা গেছে, ট্রুডোর পরিকল্পনা অনুযায়ী ৯ মার্চ ২০২৫-এ তিনি প্রায় ৮৬ শতাংশ ভোট পেয়ে দলের নেতা নির্বাচিত হন।
১৪ মার্চ ২০২৫-এ তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং সঙ্গে সঙ্গেই জরুরি কর্মসূচিতে পদক্ষেপ নেন—বার্ষিক কার্বন ট্যাক্স বাতিল করেন এবং একই সঙ্গে জরুরি পরিস্থিতিতে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দেন।
পরবর্তীতে, ২৮ এপ্রিল ২০২৫-এ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে লিবারেল পার্টি সংখ্যালঘু সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়। যদিও তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, তবুও নির্বাচনের আগে বিপুল পোলিং শূন্য থেকে উঠে এসে রাজনৈতিক পুনর্জাগরণ ঘটায়, যা রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ‘অপ্রতিদ্বন্দ্বিতাজনক উত্থান’ বলে উল্লেখ করেছেন।
জনসমর্থনের দিক থেকেও কার্নি উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছেন। ‘হিস্টোরিক্যাল র্যাঙ্কিংস অব প্রাইম মিনিস্টারস অব কানাডা’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন মাসে তার সর্বোচ্চ জনসমর্থনের হার ছিল ৬৭ শতাংশ—যা তাকে জনপ্রিয়তার তালিকায় শীর্ষে স্থান দিয়েছে। তুলনায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাঁ ক্রিশঁর সমর্থন ছিল ৬৬ শতাংশ।
রাজনৈতিক ভাবমূর্তিতে কার্নি একজন ‘সেন্টার-লেফট টেকনোক্র্যাট’ থেকে রূপান্তরিত হয়ে ‘সেন্ট্রিস্ট প্যাট্রিয়ট’-এ পরিণত হয়েছেন। তিনি কিছু কঠোর অভিবাসন নীতি গ্রহণ, প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং কর ছাড় দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা জনগণের একটি বড় অংশের সঙ্গে তার নীতিগত সাযুজ্য তৈরি করেছে।
