বাজেটকে নির্বাচনী প্রচারণার হাতিয়ার করছে সরকার

অন্টারিও সরকার বাজেটকে তাদের নির্বাচনী প্রচারণার হাতিয়ার করছে। প্রদেশের নিজস্ব ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বাজেট বছরের আর্থিক পথরেখা এবং মাসব্যাপী গবেষণা, পরামর্শ ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ব্যয়ের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার বেলা ৪টায় বাজেট উপস্থাপন করা হয়।
নির্বাচনের আগের বাজেট যে প্রচারণা প্ল্যাটফরম হিসেবে ব্যবহৃত হয় তার বেশ কিছু উদাহরণ আছে। প্রোগ্রেসিভ কনজার্ভেটিব প্রিমিয়ার মাইক হ্যারিস ১৯৯ সালে ঠিক এমনটাই করেছিলেন। অতি সম্প্রতি ২০১৪ সালের ১ মে একই কাজ করেছিলেন ক্যাথলিন ওয়েন নেতৃত্বাধীন লিবারেল সরকার। পরদিনই জুনের নির্বাচনের জন্য আইনসভা ভেঙে দেওয়ার অনুরোধ নিয়ে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে গিয়েছিলেন প্রিমিয়ার।
ডগ ফোর্ডের প্রোগ্রেসিভ সরকার নির্বাচনী বছরের বাজেট নিয়ে রাজনীতিটা আরেকটু উন্নতভাবে করলেন।
২০১৮ সালের নির্বাচনে লিবারেলদের আসন সংখ্যা মাত্র সাতটিতে নেমে আসে। ৪০টি আসন নিয়ে চার বছর ধরে বিরোধী দলের আসনে বসে আছে নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি)। কিন্তু সাম্প্রতিক সমীক্ষঅ বলছে, জনপ্রিয়তায় প্রোগ্রেসিভ কনজার্ভেটিভ পার্টির চেয়ে মাত্র কয়েক পয়েন্ট পিছিয়ে আছে লিবারেলরা।
বাজেটের পর এনডিপি নেতা আন্দ্রিয়া হরওয়াথ সিপি২৪কে দেওয়া প্রতিক্রিয়া বলেন, অন্টারিওর ভঙ্গুর অবস্থাকে ঠিক করার সুযোগ নিতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার।
এনডিপি তাদের যে নির্বাচনী প্ল্যাটফরম ঘোষণা করেছে সেখানে প্রদেশের সামাজিক সমস্যা সমসাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বাজেটে সামাজিক কর্মসূচির তুলনায় নির্মাণে মনোযোগ বেশি দেওয়ায় এর সমালোচনা করেন হরওয়াথ।
বাজেটকে গভীর হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন লিবারেল নেতা স্টিভেন ডেল ডুকা। প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ডের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়ারও অভিযোগ এনেছেন তিনি।

- Advertisement -

Read More

Recent