
প্রাদেশিক জলপথে ভাসমনা বাড়ি নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে অন্টারিও। ১ জুলাই থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। তবে এটা কেবল বসবাসের উদ্দেশে ভাসমান বাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং সেইলবোটের মতো ঐতিহ্যবাহী নৌযান এর আওতার মধ্যে পড়বে না।
ভাসমান আবাসন হিসেবে সরকার সেইসব ভবন বা অবকাঠামোকে চিহ্নি করেছে যেগুলোতে রাত্রিযাপনের সুবিধা রয়েছে। এসব নৌযান চলাচলের উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে ভেলা, বার্জ, যেগুলোতে ছাদ রয়েছে এবং ক্যাম্পিং বা রাত্রিযাপনের কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
প্রাকৃতিক সম্পদ ও বনমন্ত্রী গ্রেডন স্মিথ এক বিবৃতিতে বলেছেন, অন্টারিওর জলপথে ভাসমান আবাসের ব্যবহার নিয়ে একাধিক উদ্বেগের কথা আমরা শুনেছি। এগুলো পরিবেশের পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগজনক। এই নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আমরা আমাদের জলপথগুলোকে রক্ষার পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি, যাতে করে বিনোদনমূল কাজে এর ব্যবহার ন্শিচত হয়। সেই সঙ্গে হ্রদ ও নদীগুলোর দূষণের সম্ভাবনা হ্রাস পায়।
মন্ত্রণালয় বলেছে, যারা নৌযান চালান তাদের ওপর এই নিষেধাঞ্জার কোনো প্রভাব পড়বে না। ব্যক্তিগত কোনো ওয়াটার লটে ভাসমান আবাসনের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। কিংবা যেসব জলপথ অন্য অঞ্চল বা কর্তৃপক্ষের আওতাভুক্ত সেগুলোর ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞার কোনো প্রভাব পড়বে না।
প্রস্তাবটি প্রথম প্রাকশ করা হয় গত ফেব্রুয়ারিতে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের প্রতি মালিক, কোটেজার অ্যাসোসিয়েশন ও মিউনিসিপালিটির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।
ভাসমান এসব আবাসনের বসবাসকারীরা কোনো অনুমোদন ছাড়াই সরকারি জমিতে থাকছেন। এ কারণে তাদেরকে কোনো সম্পদ কর পরিশোধ করতে হচ্ছে না। শব্দদূষণ ও নিরাপত্তা উদ্বেগ সৃষ্টির পাশাপাশি এর ফলে জরুরি সেবা বিঘিœত হচ্ছে। সেই সঙ্গে জলপথে জটও সৃষ্টি করছে।
