এশিয়ান ভলিবল: থাইল্যান্ডে বিগ ফান

সোহাগ ওর গাড়ীতে আমাকে লালমাটিয়ার বাসায় নামিয়ে দিয়ে ও ছুটলো মিরপুরের দিকে
দশদিন পরেই বাংলাদেশ জাতীয় ভলিবল দল রওনা হবে থাইল্যান্ডের কোরাত শহরেছবিব্রাডেন জারভেস

বাংলাদেশের এমন কোনো অঞ্চল নেই যেখানে ভলিবল খেলা হয় না। দেশের আনাচে-কানাচে, গ্রামে-গঞ্জে কী শীত, কী গ্রীষ্ম সারা বছর ধরেই ভলিবল খেলা হচ্ছে বিনোদন উপকরণ হিসেবে। খেলাটি একেবারেই স্বল্প ব্যয় সাপেক্ষ বলেই এর বিস্তর দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, মাঠে-ঘাটে। অথচ ভলিবলের এমন একটি জনপ্রিয়তা থাকা সত্তে¡ও আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে দেশের ভলিবলের মান একেবারেই তলানীতে। সন্দেহ নেই এজন্য দায়ী দেশীয় ভলিবলের নিয়ামক সংস্থা বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশন। পরিকল্পনার অভাব, অভাব ব্যবস্থাপনার। আর এভাবেই তিলে তিলে হারিয়ে যাচ্ছে দেশের ভলিবল। দেশে থাকাকালীন দেখেছি, সার্ভিসেস দলগুলোর মধ্যেই দেশের জাতীয় পর্যায়ের ভলিবল সীমাবদ্ধ। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিডিআর, আনসার এরাই খেলছে জাতীয় দলে। নেই কোনো জেলা দল, নেই অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান! আজ বিশ বছরের প্রবাস জীবনে এসেও শুনি ঐ সার্ভিসেস দলগুলোর মাঝেই জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপ সীমাবদ্ধ। অথচ একটা সময়ে ভলিবল ফেডারেশনের শীর্ষ পর্যায়ের চেয়ারগুলোতে ছিলো ক্ষমতা আর বিত্তের সহঅবস্থান। নব্বই দশকের গোড়ার দিকে ফেডারেশনটির সভাপতির পদে আসেন সে সময়ে কুমিল্লার জিওসি মেজর জেনারেল মাহাবুবুর রহমান। অমায়িক ভদ্রলোক। তাঁর মাঝে সেনাকর্তা হিসেবে কোন অহমবোধ আমি খুঁজে পাইনি। জেনারেল সেক্রেটারীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন এক সময়ের খ্যাতিমান ভলিবল খেলোয়াড় ও ব্যবসায়ী গোলাম কুদ্দুস বাবু। বাবু ভাইও ছিলেন একজন আপাতমস্তক ভদ্রলোক। সেসাথে ভলিবলের কঠিন প্রেমিক। নানা সময় তাঁর সাথে আলাপে আমার তাই-ই মনে হয়েছে! তারপরেও দেশের ভলিবল থেকে গেছে অন্ধকারেই। মাঝে-মধ্যে ভাবতাম এমন কোন্ চোরাবালি, যেখান থেকে ভলিবলকে একটা পর্যায়ে এনে দাঁড় করানো যায় না। দক্ষিন এশিয়ার আট দেশের মধ্যে বাংলাদেশের ভলিবলে অবস্থান এ মুহূর্তে ছ’নম্বরে। কেবল ভুটান আর মাল­ীপের ওপরে। ভারত এ অঞ্চলে ছড়ি ঘোড়াচ্ছে যুগ যুগ ধরে। এগিয়ে পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল ও আফগানিস্তান।
ঠিক এমন একটা নাজুক অবস্থা যখন চলছে তখনই থাইল্যান্ডের কোরাত শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৭ম এশিয়ান ভলিবল চ্যাম্পিয়নশীপ।
সময়টা ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস। ১১ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর নয়দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় এ টুর্ণামেন্ট। ফেডারেশনে তখন সর্বোচ্চ পদে মেজর জেনারেল মাহাবুবুর রহমান। বর্তমানে বিএনপি ঘরানার রাজনীতিতে জড়িত। আমি তখন দৈনিক বাংলার বাণীর স্টাফ রিপোর্টার ও স্পোর্টস ইনচার্জ। ভলিবল ফেডারেশন থেকে এক সন্ধ্যায় আমার অফিসে ফোন এলো। ফোনের অপর প্রান্তে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবু ভাই (গোলাম কুদ্দুস বাবু)। বললেন, আমাদের ফেডারেশনের মিটিং ছিলো। জেনারেল সাহেব (মেজর জেনারেল মাহাবুবুর রহমান) আছেন। তিনি একটু কথা বলতে চান। মাহবুব ভাই ফোন ধরেই বললেন, বাবু তোমাকে একটু আমার বাসায় আসতে হবে, সোহাগকেও (রেজাউর রহমান সোহাগ, ক্রীড়া সম্পাদক, দৈনিক ইনকিলাব) আসতে বলেছি। তোমরা দু’জন সময় করে আমার বাসায় একটু চা খেয়ে যেয়ো। আগেই বলেছি, সেনা কর্মকর্তা হয়েও মাহাবুব ভাইকে দেখেছি, সাংবাদিকদের সাথে প্রচন্ড বিনয়ী হয়ে কথা বলতে, যা অনেক জেনারেলের মাঝেই খুঁজে পায়নি আমার সাংবাদিকতা জীবনে। মাহাবুব ভাই কেনো জানি আমাকে আর সোহাগকে খুব স্নেহ করতেন। সোহাগের সাথে ঘনিষ্ঠতা আরো বেশী ছিলো। অনেকটাই পরিবারের সদস্যের মতো।
পরের দিনই সোহাগ ফোন করে মাহাবুব ভাইকে আমাদের যাওয়ার বিষয়টি চুড়ান্ত করলো। অফিসের কাজ সেরে রাত এগারোটার দিকে আমি আর সোহাগ গেলাম তাঁর বাসায়। আমরা কথা বললাম অনেক্ষন। শুধুই ভলিবল নিয়ে। সেখানেই জানলাম, ভলিবল ফেডারেশনের সভায় মূল আলোচ্য বিষয় ছিলো এশিয়ান ভলিবল চ্যাম্পিয়নশীপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ। সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয়, এ আসরে দু’জন সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানানো হবে চ্যাম্পিয়নশীপ কভার করার জন্য। আর সেক্ষেত্রে বেছে নেয়া হয়েছে বাংলার বাণী থেকে আমাকে এবং দৈনিক ইনকিলাব থেকে সোহাগকে। ভলিবল ফেডারেশনের ইতিহাসে দেশের বাইরে টুর্ণামেন্ট কভার করার জন্য সাংবাদিকদের আমন্ত্রন জানানো সেটিই ছিলো প্রথম এবং এখন পর্যন্ত সম্ভবত: একমাত্র। ভলিবল নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় বুঝতে পারছিলাম ভলিবলের উন্নয়নে জেনারেল মাহাবুবের প্রাণবন্ত প্রচেষ্টার কথা। তাঁর আন্তরিকতাও ফুঁটে উঠেছিলো প্রতিটি কথায়। কোনো কিছু চিন্তা না করেই সোহাগ বলে ফেললো, আমরা দু’জনায় যাবো এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ কভার করতে।
রাত প্রায় সাড়ে বারোটা বেজে গেছে। হাসিমুখে বিদায় দিলেন মাহাবুব ভাই। অফিসের গাড়ীতে উঠতে উঠতে সোহাগকে বললাম, তুই যে হুট করে কথা দিয়ে ফেললি আমরা যাবো। কিন্তু আমার তো যাওয়া বোধ হয় হবে না। ভলিবলের মতো খেলা কভার করতে আমার অফিস চার আনা পয়সাও দেবে না। সোহাগ বললো, চিন্তা করিস না, ব্যবস্থা হয়ে যাবে। তুই শুধু অফিসকে জানিয়ে দে ভলিবল ফেডারেশনের আমন্ত্রনে যেতে হচ্ছে। বাকীটা আমি দেখবো। এ পর্যন্তই। সোহাগ ওর গাড়ীতে আমাকে লালমাটিয়ার বাসায় নামিয়ে দিয়ে ও ছুটলো মিরপুরের দিকে।
দশদিন পরেই বাংলাদেশ জাতীয় ভলিবল দল রওনা হবে থাইল্যান্ডের কোরাত শহরে। এই সফরের আগে আমি আরো তিনবার ব্যাংকক যাওয়ায় আমার তেমন একটা আগ্রহ ছিলো না, যতোটা ছিলো সোহাগের। কারণ এটা ওর জন্য প্রথম থাইল্যান্ডে পা রাখা। আর সে সময় ব্যাংকক মানেই বিনোদনের এক অমৃত শহর।
সোহাগ একা একা যেতে চায় না। আমাকে সাথে যেতেই হবে। কিন্তু এটাও জানে, আমার অফিস পয়সা দেবে না। তাই আমার টিকিটের দায়িত্বটা ওই নিলো। বিএনপি তখন ক্ষমতায়। ইনকিলাব বিএনপি ঘরানার পত্রিকা। সাদেক হোসেন খোকা তখন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রি। ক্রীড়াঙ্গনের মানুষ। ক্রীড়াঙ্গনের অবস্থা তাঁর নখদর্পণে। সোহাগ দুই-এ-দুই-এ চার মেলালো। খোকা ভাইকে বিষয়টি জানালো। আমি তখন বিপরীত ঘরানার পত্রিকায়। বাংলার বাণী মানেই আওয়ামী ঘরানা। খোকা ভাইয়ের সাথে সব ক্রীড়া সাংবাদিকের মতো আমারও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও আমি এ বিষয়ে খোকা ভাইয়ের কাছে যাবো এমনটি মাথাতেই আনিনি। অথচ খোকা ভাই রাজনৈতিক কারণেই সম্ভবত: চেয়েছিলেন আমি তাঁর সাহায্য চাই। তাই সোহাগকে বললেন, বাবুকে বলো ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বরাবরে টিকিটের টাকা চেয়ে আবেদন করতে। সোহাগ জানে আমি এ কাজটি কখনই করবো না। তাই দুই টিকিটের সমমূল্য পরিমাণ টাকা খোকা ভাই সোহাগের নামে বরাদ্দ দিলেন। আর সে টাকায় সোহাগ আমার টিকিট কিনলো।
টিকিট হলো। হোটেলে থাকা আর খাওয়া নিয়মানুযায়ী বহন করে স্বাগতিক দেশ। সুতরাং সে বিষয়েও কোন ঝামেলা থাকলো না। অবশিষ্ট যা তা শুধুমাত্র হাত খরচের টাকা। অফিসে ফিরে সম্পাদক সেলিম ভাইকে (শেখ ফজলুল করিম সেলিম) বললাম, নিউজ পাঠাতে টাকা লাগবে। বললেন, তোমার যেতে হবে না। মনটা খারাপ হলো। ফিরে এলাম নিউজ ডেস্কে। কিছুক্ষণ বাদেই অফিসের পিয়ন মোস্তফা এসে বললো, বড় সাহেব আপনাকে সালাম দিয়েছে। গেলাম সেলিম ভাইয়ের রুমে। কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, একাউন্টসে বলে দিয়েছি, কাল ৩০০ এউএস ডলার নিয়ে যেয়ো। হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম। নিউজ রুমে ফিরে মহা আনন্দে পিয়ন মোস্তফাকে বললাম সবার জন্য চা নিয়ে আসো। আসলে, অফিসের সর্বকনিষ্ঠ রিপোর্টার বলেই কিনা জানিনা, আমার কোন চাওয়াকেই সেলিম ভাই কখনই ‘না’ বলেননি। অনুজ প্রতীম ভালোবাসায় তিনি আমাকে আগলে রেখেছিলেন অনেক প্রতিকুল অবস্থার মুখেও। সে কথাগুলো না হয় অন্য কোন এক লেখায় বলবো।
১০ সেপ্টেম্বর, জাতীয় ভলিবল দলের সাথে নয়দিনের সফর সঙ্গী হয়ে আমি আর সোহাগ রওনা হলাম থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে। সাড়ে চার ঘন্টার বিমান ভ্রমণ করে পৌঁছালাম ব্যাংককে। সিগারেটের নেশা তখন পেয়ে বসেছে। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়েই সিগারেটে আগুন। জোরে জোরে টানতে হচ্ছিলো, কারণ বাংলাদেশ দলকে নিতে আসা লাক্সারিয়াস বাসটি তখন কেবলই অপেক্ষায়। সাড়ে চার ঘন্টার বিমান ভ্রমণের পর পরই তিন ঘন্টার সড়ক পথে পৌঁছাতে হবে কোরাত শহরে। ওখানেই আসর বসবে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপের।
সন্ধ্যা নাগাদ কোরাত পৌঁছালাম। পাশাপাশি দুটো ফাইভ স্টার হোটেল, যার একটি অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের জন্য। অপরটি এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সাংবাদিকদের জন্য। তাই পুরো দলকে রেখে আমাদেরকে নিয়ে যাওয়া হলো পাশের হোটেলটিতে। রুমে গিয়ে গোসল সারতে হবে। তারপর টুর্ণামেন্টের এ্যাকরিডিটেশন কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। কাপড় বদলাবার জন্য সোহাগ স্যুটকেস খুলতেই আমাদের মধ্যে পড়ে গেলো হাসির রোল। আলাদা আলাদা খামে করে সোহাগ ডলার নিয়ে এসেছে। কোনটার ওপর লেখা আছে ‘খাওয়ার জন্য’। বললাম, থাকা-খাওয়া তো ফ্রী, তো খাওয়ার জন্য এতো ডলার কেনো? তখনই রহস্যটা উদঘাটন হলো। দু’জনায় হাসলাম অনেকক্ষন।
পরদিন বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ শক্তিশালী চীনের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের গ্রুপে চীন ছাড়াও ছিলো অস্ট্রেলিয়া, কাতার ও ফিলিপাইন। টুর্ণামেন্টের উদ্বোধনী দিন (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে টানা চারদিন বাংলাদেশকে মুখোমুখী হতে হয়েছিলো প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে। বাংলাদেশ সব ম্যাচেই হেরেছে অনেকটা অসহায়ের মতো। আমরা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখেছি হার কতো শোচনীয় হতে পারে! বিশাল পয়েন্টের ব্যবধানে ৩-০ সেটে প্রতি ম্যাচেই হারতে হয়েছিলো বাংলাদেশকে। দেশের বাইরে এশীয় মানের ভলিবল দেখার সুযোগ এর আগে না থাকায় বুঝতে পারিনি জাপান, কোরিয়ানদের স্ট্যান্ডার্ড কী! বিস্ময় চোখে পুরো টুর্ণামেন্ট জুড়ে উপভোগ করেছিলাম ভলিবলের অনিন্দ্য সুন্দর ম্যাচগুলো। এখনো চোখে ভাসছে জাপান-চীন, দ. কোরিয়া-কাজাকিস্তানের সেমিফাইনাল আর জাপান-কোরিয়ার ফাইনাল। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সেই ফাইনালে দ. কোরিয়া ৩-২ সেটে জাপানাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। টুর্ণামেন্টে সাউথ এশিয়ানদের মাঝে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা অংশ নিয়েছিলো। আর ষোল দলের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান হয় ১৬তম।
নানা কারণেই এ সফরটি আমার মনের স্মৃতিতে গেথে আছে গভীরভাবে। দেশের বাইরে যতো গেমস আর টুর্ণামেন্ট কভার করতে গেছি, তার মধ্যে সম্ভবত: এ সফরটি ছিলো আমার জন্য অনেক আনন্দময়। একদিকে খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু সাংবাদিক রেজাউর রহমান সোহাগ, অন্যদিকে ভলিবল অঙ্গনের বেশ ক’জন প্রিয় মানুষ যারা অফিসিয়াল ডেলিগেটের বাইরে নিজ খরচে অবজারভার হিসেবে আমাদের সঙ্গী হয়েছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন টাঙ্গাইলের নিবেদিত প্রাণ সংগঠক গোলাম রসুল মোল্লা ভাই, যিনি বেশ ক’বছর হলো আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। আরো ছিলেন ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কুদ্দুস চৌধুরী বাবু ভাই, ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক মনিরুল হক ভাই, সদস্য খায়রুল ইসলাম মোল­া, আবুল কালাম আজাদ ও তারিকুল আনোয়ার রিলু ভাই।
প্রতিদিন স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখা, খেলার সংবাদ লিখে তা দেশে পাঠানোর পাশাপাশি কখনো আয়োজক দেশটির পক্ষ থেকে অফিসিয়াল ডিনার, থাই স্পোর্টস জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন পক্ষ থেকে টুর্ণামেন্ট কভার করতে আসা সাংবাদিকদের সম্মানে ডিনার, গল্প-আড্ডা আর রাত হলেই ডিস্কোটেক। মনে আছে, গোলাম রসুল মোল্লা ভাই কখনই যাননি ডিস্কোটেকে। শখ করলেন আমার আর সোহাগের সঙ্গী হবেন এক রাতে। যেমন কথা তেমন কাজ। ডিস্কো রাতের মজা দেখে গোলাম রসুল ভাই আর ফিরতেই চান না হোটেলে। অনেক মজার মানুষ ছিলেন তিনি। ছিলেন উদার মনের। সব মিলিয়ে চমৎকার একটি ফান ট্যুর ছিলো এটি আমার।

মন্ট্রিয়ল, কানাডা

- Advertisement -

Read More

Recent