
নভেম্বর থেকে স্কুলগুলো পর্যায়ক্রমে সশরীরে পাঠদানে ফিরতে শুরু করেছিল। শীতের ছুটি শেষে অর্থাৎ জানুয়ারিতে অধিকাংশ ক্লাসই সশরীরে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বৃহস্পতিবার লেখা এক চিঠিতে রেয়ারসন ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ লাছেমি বলেন, ওমিক্রনের সংক্রমণের ঝুঁকির কারণে ব্যাপকভিত্তিতে সশরীরে পাঠদানের পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে হচ্ছে। এ অবস্থায় ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ভার্চুয়ালি পাঠদান চলবে। যেখানে যেখানে সম্ভব সেখানে সেখানে বাড়ি থেকে কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, আমরা সবাই জানি যে, ওমিক্রনের বিস্তার ব্যবস্থাপনায় আসন্ন সপ্তাহগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সিদ্ধান্ত আমাদের কমিউনিটির স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। আগামী সপ্তাহ থেকে প্রদেশ বুস্টার ডোজ প্রদানের কার্যক্রম জোরদার করবে। যোগ্য হলে আমাদের কমিউনিটির সবাইকে বুস্টার ডোজ গ্রহণে আমরা উৎসাহিত করছি।
অন্টারিওর সায়েন্স অ্যাডভাইজরি টেবিল তাদের হিসাবে দেখিয়েছে, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট প্রতি ২ দশমিক ২ দিনে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুনে উন্নূত করছে। নতুন জনস্বাস্থ্য বিধিবিধান চালুু ও বুস্টার ডোজ প্রদান কার্যক্রমে গতি না আনলে জানুয়ারির গোড়ার দিকেই দৈনিক সংক্রমণ ১০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে।
ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টার চেয়ে ছয়গুন সংক্রামক বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভাইরাসের এ দ্রুত বিস্তার রেয়ারসন ইউনিভার্সিটি ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি পোস্ট-সেকেন্ডারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সশরীরে পাঠদানের পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে বাধ্য করেছে।
বুধবার ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিও জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা বিলম্বিত করা হবে। ১০ জানুয়ারি শীতকালীন সেশন শুরু হওয়ার পর ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ভার্চুয়াল পাঠগ্রহণে অংশ নিতে হবে। অন্তত ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তাদের শ্রেণিকক্ষে ফেরা হচ্ছে না।
একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছে কিংস্টনের কুইন’স ইউনিভার্সিটিও। তারা বলেছে, অন্তত শীতের ছুটি পর্যন্ত সশরীরে পাঠদান পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এটা বিদ্যমান থাকবে।
This article was written by Rezaul Haque as part of the Local Journalism Initiative.
