
আয়নাঘর নিয়ে এতো এতো কথা শুনেছি, ভিডিও সাক্ষাৎকার দেখেছি আর শিউরে উঠেছি। গুম হয়ে যাওয়া মানুষদের সাথে দিনের পর দিন,মাসের পর মাস বর্ণনাতীত ভয়াবহ মানসিক, শারীরিক অত্যাচার করা হয়েছে। বছরের পর বছর যারা ছিলেন তাদের কারো কারো বর্ননা শুনে গা হিম হয়ে গেছে।
আয়নাঘরে বন্দী ছিল এরকম যাদের নাম শুনেছি তাদের মধ্যে দু’একজন আমার পূর্ব পরিচিত । আমার দু’জন ঘনিষ্ট মানুষ আয়নাঘরে বন্দী ছিলেন। তারা বন্দী জীবনের বর্ণনা দিয়েছেন। একজন খুব প্রিয়জন, অভিনয়শিল্পী কাজী নওশাবা আহমেদ, (যিনি আমার প্রথম নাটকে অভিনয় করেছিলেন।) সাক্ষাৎকার শুনে চমকে গিয়েছি বললে ভুল হবে। রীতিমতন আঁতকে উঠেছি।
আরেকজন আমার খুব প্রিয়ভাজন সংগীতশিল্পী এইচ এম রানা। দ্যা ডেইলি স্টারের অনলাইন প্লাটফর্মে তার ভিডিও দেখে প্রথমে বিশ্বাস করতে কস্ট হচ্ছিল। ভাবতে পারছিলাম না তার মতন রাজনীতিবিমুখ মানুষকে কেন ডিজিএফআই তুলে নিয়ে যাবে? তার কি অপরাধ ছিল?
৫৪ মিনিটের পুরো সাক্ষাৎকার শুনে গা হিম হয়ে গেছে। এতো অবর্ননীয় অত্যাচার সহ্য করে মানুষ এতোদিন টিকে থাকলো কেমনে?
ক্ষমতায় টিকে থাকতে খুনি হাসিনা এরকম শত শত নিরীহ মানুষদের ধরে নিয়ে কি অমানুষিক নিপীড়নটাই না করেছে।
অর্ন্তবর্তীকালিন সরকারের উচিৎ সব আয়নাঘর ভেঙে গুটিয়ে দেয়া।
মন্ট্রিয়ল, কানাডা
