
পিল পুলিশের গুলিতে জামাল ফ্রান্সিক নিহত হওয়ার দুই বছরেও তার বন্ধু-পরিজনদের ন্যায়বিচারের অপেক্ষা ফুরায় নি। ২০২০ সালের ৭ জানুয়ারি রাতে যে স্থানে জামালকে গুলি করা হয়েছিল সেই স্থানে শুক্রবার তাকে স্মরণ করতে জড়ো হয়েছিলেন তার পরিচার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুরা।
জামালের বাবা ডেরেক বলছিলেন, জামালের মৃত্যু প্রথম দিনের মতোই তার পরিবারের সদস্যদের পীড়া দেয়। আমরা খেতে পারি না, ঘুমাতে পারি না। অথচ যারা আমার ছেলের প্রাণ নিয়েছে তারা ঠিকই বাড়ি যাচ্ছে, খাচ্ছে এবং থ্যাংকসগিভিং ডিনারও করছে। তারা বড়দিনের উৎসব করছে, নববর্ষের উৎসবে মাতছে। অথচ আমি এখানে আমার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে আছি, যেমনটা ছিলাম প্রথম দিন।
তিনি বলেন, পরিস্থিতিকে উপযুক্ত করতে কেউই তেমন কিছু করেনি। তারা যা করেছে তা কেবল আমাদের পরিবারকে বিপর্যস্তই করেছে। আমরা চাই কেউ এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াক এবং দায় নিক।
ডেরেক বলছিলেন, আমাদের পরিবার হাসতো এবং মজা করতো। কিন্তু ফ্রান্সিকের মৃত্যুল পর সেসব হারিয়ে গেছে। তিনি পিল পুলিশ প্রধান নিশান দুরাইআপ্পাহকে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ যারা তার ছেলের প্রাণ নিয়েছেণ সেইসব পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তি নিশ্চিত করতে বলেছেন।
তিনি বলেন, আপনারা একটা পরিবারকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। আপনারা ভাই ও বোনদের বিপর্যস্ত করে দিয়েছেন। আপনারা প্রপিতামহ ও প্রমাতামহকে বিধ্বস্ত করেছেন। আপনারা কি করেছেন তার তাৎপর্য আপনারা বুঝতে পারছেন না।
ফ্রান্সিকের মৃত্যু তদন্ত করেছে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন ইউনিট (এসআইইউ) এবং এজন্য গুলি ছোড়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনার কোনো কারণ খুঁজে পাননি তদন্তকারীরা। তদন্ত পুনরায় শুরু করার দাবি জানিয়ে আসছে ফ্রান্সিকের পরিবার। ফ্রান্সিকের পরিবারের আইনজীবী কেনিয়া সিং দাবি করেন, এসআইইউয়ের প্রতিবেদন অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও সঠিক নয়। তারপরও পুলিশ ওয়াচডগ এবং অ্যাটর্নি জেনারেল তদন্ত পুনরায় শুরু করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
This article was written by Rezaul Haque as part of the Local Journalism Initiative.
