টরন্টোর জীবনযাত্রার মানে অবনতি

টরন্টোর ৪০ শতাংশ বাসিন্দা নিরাপদ বোধ করেন না

টরন্টোর ৪০ শতাংশ বাসিন্দা নিরাপদ বোধ করেন না। আর গত এক বছরে জীবনযাত্রার মানের অবনতি হয়েছে বলে মত দিয়েছেন টরন্টোর অর্ধেক বাসিন্দা। সিটি অব টরন্টোর জন্য পরিচালিত ইপসসের এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে। চলতি বছরের ২৮ আগস্ট থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমীক্ষাটি চালানো হয়।

সিটি ব্যবস্থাপক পল জনসন বলেন, টরন্টোবাসীদের তাদের নগর সম্পর্কে অনুভুতি কী এবং আমরা যে সবা সরবরাহ করি সে ব্যাপারেই বা তারা কী ভাবেন সে ব্যাপারে অধিকতর উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যে ‘লিসেনিং টু টরন্টো’ শীর্ষক সমীক্ষাটি চালানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ১৮ বছর ও তার বেশি বয়সী এক হাজার ১৪২ জনের ওপর সমীক্ষাটি চালানো হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, সিটি টরন্টোতে সন্তুষ্ট হওয়ার মতো অনেক কিছু আছে। কিন্তু টরন্টোবাসীর চাহিদা পূরণের মতো আরও অনেক সুযোগ রয়েছে। যেসব সেবা আমরা সরবরাহ করে থাকি সেগুলো আরও উন্নত করারও যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

- Advertisement -

জনসন বলেন, সিটি কর্তৃপক্ষ নতুন সেবা উন্নয়ন ও সরবরাহ করছে। এই অবস্থায় এসব বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে।

আবাসন, ক্রয়ক্ষমতা এবং আরও বেশি সংখ্যক সহায়ক আবাসন বিকল্প গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় ইস্যুগুলোর শীর্ষে রয়েছে, যেগুলোতে মনোযোগ দেওয়া দরকার। গুরুত্বের বিবেচনায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পরিবহন যেমন ট্রাফিক, যানজট, বর্ধিত কমিউনিটি সময় এবং গণপরিবহন। এই দুটি ইস্যু শীর্ষ উদ্বেগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, ২০২৫ সালের বাজেটে যাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

তৃতীয় ও চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হচ্ছে অপরাধ এবং দারিদ্র/গৃহহীনতা, যেগুলোতে নেতাদের মনোযোগ দেওয়া দরকার। যদিও অপরাধ ও অবকাঠামোকে মনে করা হচ্ছে বাজেটে তৃতীয় ও চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার।

সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের সিংহভাগ জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর দাবি জানিয়েছেন। এর পরেই নগরীতে সহজে যাতায়াত এবং নগরীর অবকাঠামো যেমন পাবলিক ওয়াশরুম, খেলারমাঠ, পার্ক, কমিউনিটি সেন্টার ও চাইল্ডকেয়ারের মতো সিটি কর্মসূচিগুলোতে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার সার্ভিস এক্সেলেন্ট কমিটিতে সমীক্ষায় উঠে আসা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর সংক্ষিপ্ত পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন জনসন। তিনি বলেন, সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী উত্তরদাতারা সিটি ও এর কর্মসূচির ব্যাপারে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

- Advertisement -

Read More

Recent