
গত দুই টার্মে ডলি বেগমের বিজয়ের পিছনে বাংলাদেশী কমুনিটির অবদান ছিল পাহাড়সম। তবে ডলি বেগম কিন্তু আজ স্বহিমায় উদ্ভাসিত এবং নিজের যোগ্যতায় মূল স্রোতের রাজনিতীতে প্রতিষ্ঠিত।
গত সাত বছর ডলির রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড মূলধারার রাজনিতীতে বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের মুখ উজ্জ্বল করেছে। সুখে দুখে সে আমাদের সাথে থেকে, আমাদের পাশে থেকে আমাদেরকে করেছে উজ্জীবিত। তার বিচক্ষনতার জন্য গত টার্মে সে বিরোধী দলিয় উপনেতা হিসেবে প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্টে বাংলাদেশি কমুনিটিকে করেছে গর্বিত।
গত দুইবারের নির্বাচনের মতো এবারও আমরা তার পক্ষে একজোট হয়ে আছি।
আপনিও সহযোগিতা করুন, জয়ের মালা আমাদের ঘরে আনুন।
মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য ১৯৫২ সালে ভাষা শহীদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে স্মরণ করে সারা বিশ্বে বাংলা ভাষাভাষি মানুষ শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ‘অমর একুশে’, মহান ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায়, সে বছর থেকে বিশ্বজুড়ে এই দিবসটি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
দিবসটি উপলক্ষে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ মুক্তবুদ্ধি চর্চার সাংস্কৃতিক কর্মীবৃন্দ’র উদ্যোগে টরন্টোর বাংলাদেশ সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে স্মরণায়োজন ‘ভাষার গান’ !
এসো, আরেকটু সামনে এগিয়ে যাই। ঐ যে বকুলতলা, ওখানটায় গিয়ে বসি। একটা গল্প বলি শুনো, আমরা যেখান থেকে চা-শিঙাড়া খেয়ে আসলাম, শাহবাগের মোড়ে, সেখানে প্রায়শই একজন মানুষ এসে আড্ডা দিতেন। তিনি অনেকটা ক্ষেপাটে ধরনের মানুষ। বন্ধুদের সঙ্গে সিনেমা নিয়ে গল্প করতেন। স্বপ্ন দেখতেন ভালো সিনেমা বানানোর। অনেক সুন্দর ছবিও তুলতেন তিনি। মুখভর্তি কাঁচাপাকা দাড়ি-গোফ। সবসময়ই তাঁর কাঁধে ঝুলে থাকতো একটি কাপড়ের ব্যাগ। সেই ব্যাগ ভর্তি থাকতো বই আর বই।
জানো, মানুষটি সামনের দিকে ঝুঁকে একটু কুঁজো হয়ে হাঁটতেন। কিন্তু শিল্পের জন্য তাঁর মতো এমন দৃঢ় সোজা মেরুদণ্ডী মানুষ কম ছিলেন তাঁর চারপাশে। আমাদের দেশের চলচ্চিত্রের সার্বিক অবস্থা দেখলে বুঝার উপায় নেই যে, এই দেশেই তাঁর মতো এমন একজন বিশুদ্ধ চলচ্চিত্রের শিল্পযোদ্ধা ছিলেন।
আমরা যেদিক থেকে হেঁটে আসলাম, শাহবাগ থেকে প্রায়শই তাঁকেও এদিক দিয়ে হেঁটে আসতে দেখা যেতো। মোহাম্মদ খসরু তাঁর নাম। আমরা অনেকেই তাঁকে কাছ থেকে দেখেছি।
আজকের দিনে দূরে চলে গেলেও তিনি আমাদের কাছেই আছেন। অন্তরে। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
টরন্টো, কানাডা

