মানবপাচারে দোষী দুই অপরাধীর পুনর্বিচারের আবেদন নাকচ

মামলায় দুই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে দেওয়া রায় বাদ দেওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন ইউএস ডিস্ট্রিক্ট জাজ জন টানহেইম

ভারতীয় একটি পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানবপাচারের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত দুই ব্যক্তির নতুন করে বিচারের আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন একজন ফেডারেল বিচারক। ২০২২ সালের তীব্র ঠান্ডার সময় কানাডিয়ান সীমান্ত অতিক্রম করে মিনেসোটায় প্রবেশের চেষ্টাকালে ঠান্ডায় জমে মারা যান ওই চার ভারতীয়।

মামলায় দুই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে দেওয়া রায় বাদ দেওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন ইউ.এস. ডিস্ট্রিক্ট জাজ জন টানহেইম। দোষী সাব্যস্ত হর্ষকুমার রমনলাল এবং স্টিভ অ্যান্থনি শ্যান্ড উভয়ের আইনজীবীই যুক্তি দিয়েছেন যে, তাদের বিরুদ্ধে যে সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে তা পর্যাপ্ত নয়।

- Advertisement -

তবে চার কাউন্টের সবগুলোতেই শ্যান্ড ও প্যাটেলকে দোষী সাব্যস্ত করার মতো যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ ছিল বলে বিচারক জানিয়েছেন। প্রসিকিউটররা বলেন, বিচারের সময় ভারতীয় নাগরিক প্যাটেল ও আমেরিকার ফ্লোরিডার নাগরিক শ্যান্ড উভয়েই একটি উন্নততর বেআইনি অপারেশনের অংশ ছিলেন। এই অপারেশনের মাধ্যমে বর্ধিত সংখ্যক ভারতীয়কে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছে।

তারা বলেন, ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি ৩৯ বছর বয়সী বারতীয় নাগরিক জগদীশ প্যাটেল, তার ৩০ বছল বয়সী স্ত্রী বৈশালিবেন, তাদের ১১ বছর বয়সী কন্যা বিহঙ্গী, তিন বছর বয়সী ছেলে ধার্মিক ম্যানিটোবা ও মিনেসোটার মধ্যকার সীমান্তে ঠান্ডায় জমে মারা যান। তপরিবারটি বাস করত বারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের ডিঙ্গুচা নামের একটি গ্রামে। এই দম্পতি ছিল স্কুল শিক্ষক। পায়ে হেঁটে পার হওয়ার সময় তাদের গ্রুপের আরও সাতজন বেঁচে যান। প্যাটেল ভারতে একটি সাধারণ পদবি এবং দোষী ব্যক্তির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।

এ ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ২০ বছরের কারাদন্ড।

- Advertisement -

Read More

Recent