
আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক ভ্যাকসিন না নেওয়া অথবা অব্যাহতির বৈধ কাগজপত্র দাখিল না করা টরন্টোর স্কুলগুলোর ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে সর্বোচ্চ ২০ দিনের জন্য বহিস্কার হতে পারে। টরন্টো জনস্বাস্থ্য বিভাগ (টিপিএইচ) বুধবার থেকে বহিস্কার আদেশ ইস্যু করা শুরু করেছে, যা পাবলিক সেকেন্ডারি স্কুলগুলোর গ্রেড ১১ এর শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এই শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০৮ সালে।
অন্টারিওর ইমিউনাইজেশন অব স্কুল পিউপিলস অ্যাক্ট (আইএসপিএ) অনুযায়ী, ভ্যাকসিনের মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য ৯টি রোগের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। রোগগুলো হলো ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, পোলিও, হাম, মাম্পস, রুবেলা, মেনিনজোকক্কাল, হুপিং কাশি ও চিকেনপক্স। যদি তাদের জন্ম ২০১০ সাল বা তার পরে হয়ে থাকে। ভ্যাকসিন না নিলে তার স্বপক্ষে অবশ্যই বৈধ অব্যাহতিপত্র থাকতে হবে।
টিপিএইচ বলেছে, প্রথম দফার বহিস্কারদেশ কার্যকর হচ্ছে ২১টি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে। প্রথম পর্যায়ে বহিস্কারাদের আওতায় থাকা ১ হাজার ৩৫৫ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭০ শতাংশ বা ৯৫৭ জন তাদের ভ্যাকসিন হালনাগাদ করেনি এবং টিপিএইচের কাছ থেকে প্রাথমিক চিঠি পেয়েছিল। এক মাস পরে তাদের মধ্যে ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের ভ্যাকসিন হালনাগাদ করে।
টিপিএইচ বলেছে, ২৪ ফেব্রুয়ারি অবশিষ্ট ৫৭৪ জন শিক্ষার্থীকে বহিস্কারাদেশ সংক্রান্ত ইমেইল পাঠানো শুরু করেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত তাদের মধ্যে ১৭৩ জনকে বহিস্কার করা হয়েছে।
টরন্টো জনস্বাস্থ্য বিভাগ বলেছে, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং মে পর্যন্ত বহিস্কার চলবে।
টরন্টো জনস্বাস্থ্য বিভাগের অ্যাসোসিয়েট মেডিকেল অফিসার ডা. বিনীতা দুবে এক বিবৃতিতে বলেছেন, বর্তমানে গ্রেড ১১ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্যাকসিনেশনের হার সবচেয়ে কম। কারণ, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে গ্রেড ৭ এ থাকা অবস্থায় তারা এসব ভ্যাকসিন নিতে পারেনি।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
