
প্রতিবছর মে মাসের মাঝামাঝি অটোয়াতে টিউলিপ ফেস্টিভ্যাল হয়।কানাডার বিভিন্ন শহর থেকে মানুষ আসে।
আমারও প্রতিবছরই যাওয়া হয়। যেতে ভালো লাগে।
মে মাস এলেই ফেইসবুকের স্মৃতি পোস্ট আসতে শুরু করে।কত বন্ধুরা এসেছে এই উপলক্ষে আমাদের বাসায়।স্মৃতি মানেই পিছনে হাঁটা।
এবছর শীতের বাতাস বয়েই যাচ্ছে। আর বসন্ত দেরী করে আসাতে বৃষ্টি হচ্ছে প্রায়ই। রুমিভাবী সহ গত শুক্রবার এ হুট করে চলে গেলাম। বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখালেও সূর্য বেশ জোর করেই রোদ ছড়ালো । আর অজস্র মানুষের ভীরে আমরা আপন মনে নেচে গেয়ে ঘুরলাম।
সবচেয়ে ভালো লাগলো Dows lake এর পারে ঝুলন্ত ডেক এ বসে সূর্যাস্ত দেখতে। রুমিভাবী ভিডিও করলেন। কত ছবি তুলে দিলেন আমার!
ভাবীকে প্রায়ই বলি, রাশীকের বাবার সাথে কোথাও গেলে ও অজস্র ছবি তুলে দিতো আমার।এখন সেই বড় ক্যামেরা নিয়ে ঘুরি না। ফোনেই সব ছবি, ভিডিও জমানো।
কত গল্প করি আমরা। গান গাই। হাসি, কাঁদি।
জীবনের দিনগুলো দ্রুত ফুরাচ্ছে মনেহয় আজকাল!
পার্কিং এর ঝামেলার জন্য গাড়ি নেইনি আমরা। রুমিভাবীর ছেলে আদিব এসে আমাদের বাসায় পৌঁছে দিলো।
আরেকটা টিউলিপময় দিন জমা হলো স্মৃতির এলবামে।
গতকাল আমার রাইয়ানের ২৩ বছর হলো। ওর জন্মদিনের পোস্ট এ যারা ভালোবাসা আর দোয়া দিয়েছেন, তাদের সবার জন্য টিউলিপ ভালোবাসা।
রাইয়ান সবার ভালোবাসায় আপ্লুত। বলেছে, মা তোমার সব বন্ধুরা অনেক ভালো।
ভালোবাসা সবাইকে। মন ভাংচুর দিনেও একটা কথা আমি সবসময়ই বলি, বেঁচে থাকা সত্যি দারুণ ব্যাপার।
আমরা সবাই যেনো সুস্থ থাকি,ভালো থাকি। ভালোবাসায় থাকি।


