পঞ্চমবারের মতো ভাঙা হলো পার্কসাইড ড্রাইভের স্পিড ক্যামেরাটি

পার্কসাইড ড্রাইভের স্পিড ক্যামেরাটি গত ছয় মাসে পঞ্চমবারের মতো ভাংচুর করা হলো

পার্কসাইড ড্রাইভের স্পিড ক্যামেরাটি গত ছয় মাসে পঞ্চমবারের মতো ভাংচুর করা হলো। মধ্য এপ্রিলে একবার ভাংচুর করার পর এক সপ্তাহ আগে ক্যামেরাটি পুনঃস্থাপন করা হয়। আবার এটি নামিয়ে আনা হয়েছে।

টরন্টোজুড়ে যেসব অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে চলেছে সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি তার অংশ। সিটি কর্তৃপক্ষ বুধবার নিশ্চিত করেছে যে, ২০২৫ সালের এখন পর্যন্ত তাদের অটোমেটেড স্পিড এনফোর্সমেন্ট (এএসই) ক্যামেরা সংক্রান্ত ৩২৫টি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

- Advertisement -

সেফ পার্কসাইড অ্যাডভোকেসি গ্রুপের সদস্য ফারাজ গোলিজাদেহর মতো বান্দিাদের কাছে বারংবার এ ধরনের ঘটনা শুধু হতাশার বিষয় নয়, এটা যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে সুরক্ষার ক্ষেত্রে সিটি কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের ব্যর্থতা।

তিনি বলেন, ঘুম থেকে উঠে আমি রেডিট পরীক্ষা করে দেখি, কেউ একজন আবারও ক্যামেরাটি নামিয়ে ফেলেছে। আমার বাসা এটা থেকে খুব বেশি দূরে নয়। সুতরাং, আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং আবারও সেটি মাটিতে পড়ে থাকতে দেখি।

২০২১ সালে পাঁচটি কারের সংঘর্ষে বয়স্ক এক দম্পতি নিহত হওয়ার পর পার্কসাইড ড্রাইভ এবং অ্যাগনকিন এভিনিউয়ের কাছে ক্যামেরাটি স্থাপন করা হয়। এখন পর্যন্ত এএসই ক্যামেরাটি ৬৬ হাজারের বেশি টিকিট ইস্যু করেছে এবং কয়েক মিলিয়ন ডলার জরিমানা আদায় করেছে। তবে গোলিজাদেহর মতো সমালোচকদের যুক্তি, সমস্যা কেবল গতিতে নয়, রাস্তাতেও সমস্যা রয়েছে। রাস্তাটির নকশা অনেকটা শহুরে মহাসড়ের মতো। লেন কমিয়ে আনার মতো নকশায় পরিবর্তন না আনা পর্যন্ত পার্কসাইডের কিছুই বদলাবে না।

গোলজাদেহ বলেন, ভাংচুর শুরু হওয়ার আগেও ক্যামেরাটি প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারছিল না। কারণ, আবারও গতি বাড়িয়ে দেওয়ার আগে চালকরা ক্যামেরাটি অতিক্রমের সময় কৌশল করে গতি কমিয়ে দেন। পার্কসাইড বর্তমানে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা। স্পিড ক্যামেরাটি স্থাপন করা হয়েছে শেষ মাথায়। সুতরাং, চালকর কেবলমাত্র ক্যামেরাটি অতিক্রম করার সময় গাড়ির গতি কমিয়ে দেন এবং এরপর আবার বাড়িয়ে দেন।

রাস্তাটির নকশায় পরিবর্তন আনার আহ্বান জানিয়েছে এলাকাটির বাসিন্দারা মেয়র অলিভিয়া চাউ, কাউন্সিলর গর্ড পার্কস এবং সিটি স্টাফ বরাবর গত মাসে চিঠি লেখেন। যদিও এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান গোলিজাদেহ।

পুলিশ জানিয়েছে, নেবারহুডে আগের ভাংচুরের ঘটনাগুলের তদন্ত চলমান রয়েছে এবং সবগুলো মামলায় সক্রিয় আছে এবং চলছে। এক ইমেইলে সিটি কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভাংচুর কমিয়ে আনার উপায় খুঁজতে তারা ঠিকাদারের সঙ্গে তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI

- Advertisement -

Read More

Recent