
ফেডারেল পাবলিক সার্ভিস গত বছর প্রায় ১০ হাজার কর্মী কমিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর্মী কমিয়েছে কানাডা রেভিনিউ এজেন্সি এবং ইমিগ্রেশন অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা।
সর্বশেষ পাবলিক সার্ভিস সংকুচিত হয়েছিল ২০১৫ সালে। ওই বছর পাবলিক সার্ভিসের কর্মীসংখ্যা ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৩৮ জন থেকে কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪ জনে। গত বছর ফেডারেল সরকারের নিয়োগকৃত সরকারি কর্মীর সংখ্যা ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৭৭২ জন থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৯৬৫ জনে।
২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সিআরএ কর্মীসংখ্যা কমিয়েছে ৬ হাজার ৬৫৬ জন। সংস্থাটিতে কর্মীসংখ্যা ৫৯ হাজার ১৫৫ জন থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ৪৯৯ জনে। ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডার কর্মী বাহিনীর আকার ১৩ হাজার ৯২ জন থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১৪৮ জনে। অর্থাৎ, তাদের কর্মীসংখ্যা হ্রাস পেয়েছে এক হাজার ৯৪৪ জন।
পাবলিক হেলথ এজেন্সি অব কানাডার কর্মীসংখ্যা কমেছে ৮৭৯ জন। শেয়ার্ড সার্ভিসেস কানাডা কর্মীংসখ্যা ৬০৮ জন কমিয়েছে। এ ছাড়া হেলথ কানাডা ৫৫৯ এবং কানাডিয়ান ফুড ইন্সপেকশন এজেন্সি ৪৫৩ জন কর্মী হারিয়েছে।
এর মধ্যেও কিছু সংস্থায় কর্মীসংখ্যা গত বছর বৃদ্ধি পেয়েছে। রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) গত বছর নতুন করে ৯১১ জন কর্মী নিয়োগ দিয়েছে। এ ছাড়া ইলেকশন্স কানাডা নিয়োগ দিয়েছে ৪৭৯, ন্যাশনাল ডিফেন্স ৩৮১ এবং গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা নিয়োগ দিয়েছে ২১৮ জন কর্মী।
যেসব কর্মী বিনা বেতনে ছুটিতে রয়েছেন তাদের সংখ্যা এই উপাত্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পাশাপাশি কানাডার বাইরে স্থানীয়ভাবে নিয়োগকৃত, আসিএমপির নিয়মিত বাহিনী ও বেসামরিক সদস্য, কানাডিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, ন্যাশনাল ক্যাপিটাল কমিশনের কর্মী এবং কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসে কর্মরতদেরও এই উপাত্তে আনা হয়নি।
যারা কাজ হারিয়েছেন তাদের বেশিরভাগই খ-কালীন। সীমিত সময়ের জন্য এসব লোককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পুলিশ সার্ভিস কর্মী হারিয়েছে ৮ হাজার জন। তবে স্থায়ী ফেডারেল পাবলিক সার্ভিস কর্মীর সংখ্যা গত বছর ২ হাজার ৭০০ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর যারা চাকরি হারিয়েছেন তাদের বেশিরভাগের বয়স ৩৫ বছরের নিচে। চাকরিচ্যুতদের মধ্যে ২৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের সংখ্যা ৪ হাজার ৪১৩, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৩ হাজার ৩৫৪ এবং ৩০ থেকে ৩৪ বছর বয়সী ৫৬৩ এবং ২০ বছরের কম বয়সী ২৪৬ জন।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
