বেসরকারি ক্লিনিকে হাঁটু ও কোমর প্রতিস্থাপনে তহবিল দিচ্ছে অন্টারিও

চারটি বেসরকারি ক্লিনিকে হাঁটু ও কোমর প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার শুরু হবে বলে সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন প্রদেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিলভিয়া জোন্স

অন্টারিও সরকার সরকারি তহবিলের আওতায় বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ আগামী বছরের শুরুতে চালু করতে যাচ্ছে। এই ধাপে চারটি বেসরকারি ক্লিনিকে হাঁটু ও কোমর প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচার শুরু হবে বলে সোমবার ঘোষণা দিয়েছেন প্রদেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিলভিয়া জোন্স।

সরকার জানিয়েছে, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে মোট ২০ হাজার অর্থোপেডিক অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করতে আগামী দুই বছরে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি ডলার ব্যয় করা হবে। এর লক্ষ্য হচ্ছে দীর্ঘ অপেক্ষার সময় কমিয়ে আনা এবং রোগীদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।

- Advertisement -

এর আগে সরকার সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় ছানি অপসারণ, এমআরআই ও সিটি স্ক্যানের মতো সেবাও বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে সম্প্রসারণ করেছে। এর অংশ হিসেবে গত বছর প্রায় ৪০ হাজার চোখের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়েছে এবং এমআরআই ও সিটি স্ক্যানের জন্য হাজার হাজার ঘণ্টা অতিরিক্ত সেবা দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিলভিয়া জোন্স বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো ক্লিনিক্যালভাবে সুপারিশকৃত সময়সীমার মধ্যে অন্তত ৯০ শতাংশ রোগী যেন প্রয়োজনীয় সেবা পান।” তিনি জানান, বর্তমানে এই হার প্রায় ৮০ শতাংশ, যা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।

তবে সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। সমালোচকদের মতে, বেসরকারি ক্লিনিকে অর্থ বরাদ্দ না করে এই অর্থ সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনিয়োগ করা উচিত ছিল। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ মতের সঙ্গে একমত নন।

জোন্স বলেন, “আমাদের কমিউনিটিগুলোতে স্বাধীনভাবে পরিচালিত শত শত সার্জিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। রোগীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভ্রমণ না করেই তারা এসব কেন্দ্রে স্বাস্থ্য মূল্যায়নের সেবা নিতে পারেন। এখন অস্ত্রোপচার সেবাও সেখানে পাওয়া যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা যখন কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে এই সেবার আওতায় আনি, তখন আসলে অ্যাকিউট কেয়ার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়। এতে হাসপাতালগুলো জটিল ও জরুরি রোগীদের চিকিৎসায় বেশি মনোযোগ দিতে পারে।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাষায়, সরকার চায় পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থাটি যেন শুধু নিরাপদই না থাকে, বরং ভবিষ্যতের জন্য পর্যাপ্ত সক্ষমতাও গড়ে ওঠে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে অপেক্ষার সময় কমানো, সেবার মান উন্নত করা এবং রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI

- Advertisement -

Read More

Recent