ব্ল্যাঙ্ক পার্কিং টিকিট নিয়ে বিতর্ক

ব্ল্যাঙ্ক পার্কিং টিকিট নিয়ে বিতর্ক

টরন্টোতে যাওয়ার পর উইন্ডশীলে অধিকাংশই ব্ল্যাংক পার্কিং টিকিট পান অন্টারিওর ব্যারির এক নারী। এরপর তিনি স্পিকার কর্নারসে যান। জেল্ডা স্যাডলার নামে ওই নারী বলেন, আমরা স্থানীয় ডেলিভারির কাজ করছিলাম। এবং ট্রাকটি ডাফেরিন স্ট্রিটে পার্ক করা ছিল।
তবে সমস্যা হলো টিকিটে কোনো তথ্য ছিল না। তিনি বলেন, এটা হাতে লেখা কার্বন কপি টিকিট। সেখানে একমাত্র যে তথ্যটি রয়েছে তা হলো কর্মকর্তার স্বাক্ষর এবং ব্যাজ নাম্বার। আর কিছু না। এটা একেবারেই খালি।

ঘটনায় নিবন্ধিত একজন এ ব্যাপারে আইনের শরনাপন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিষয়টির ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, অন্টারিও হাইওয়ে ট্রাফিক আইন অনুযায়ী, টিকিটের ওপর নির্দিষ্ট কিছু তথ্য যেমন, লাইসেন্স প্লেট, আমি কোথায় পার্ক করেছি, তারিখ, সময় এবং জরিমানার পরিমাণ থাকতে হয়। আমার টিকিটে এসবের কিছুই নেই।

- Advertisement -

সিটি অব টরন্টোর পার্কিং টিকিট মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে টিকিটটি সঠিক কিনা পরীক্ষা করেন। তাতে এটি নিবন্ধিত প্রমাণিত হয়। স্পিকারস কর্নারকে স্যাডলার বলেন, আমি মনে করেছিলাম এটা ভুয়া টিকিট। কিন্তু না। রাস্তায় পার্কিং করার অপরাধে ৭৫ ডলার জরিমানার যে টিকিট এটি তাই।

হাইওয়ে ট্রাফিক আইনের কথা উল্লেখ করে তার বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে পার্কিং এনফোর্সমেন্টকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। স্যাডলার বলেন, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে একজন সুপারভাইজার আমাকে জানিয়েছেন। টিকিট বুক তৈরি নিয়ে ম্যানুফ্যাকচারদের সঙ্গে একটি সমস্যা রয়েছে। সেটাই আমাকের বলা হয়েছে।

This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI

- Advertisement -

Read More

Recent