
কেবল সাধারণ নির্বাচনে নয়, ভবিষ্যতের সব উপনির্বাচনেও বিদেশি হস্তক্ষেপের ওপর নজরদারি ও মূল্যায়নে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে লিবারেল সরকার। জননিরাপত্তামন্ত্রী ডমিনিক লাব্লাঁ বলেন, সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় দুটি উপনির্বাচনে হস্তক্ষেপের কোনো আলামত আছে কিনা সিকিউরিটি অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স থ্রেটস টু ইলেকশন্স (সাইট) টাস্কফোর্স সেদিকে নজর রাখবে। এই দুটি উপনির্বাচনের একটি অনুষ্ঠিত হবে কুইবেকে। অন্যটি ম্যানিটোবায়।
নির্বাচন প্রক্রিয়া রক্ষা করতে ২০১৯ সালে ফেডারেল সংস্থাটি গঠন করা হয়। এর প্রতিনিধি হিসেবে আছে সিএসআইএস, আরসিএমপি, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা এবং কমিউনিকেশন্স সিকিউরিটি এস্টাবলিশমেন্ট। সাইট টাস্কফোর্স এরই মধ্যে চলতি বছর এবং ২০২৩ সালের কিছু উপনির্বাচন মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।
উপনির্বাচনের সময় এই টাস্কফোর্স উপমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত কমিটির কাছে গোয়েন্দা মূল্যায়ন উপস্থাপন করবে। এর বিনিময়ে কমিটি বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের সে ব্যাপারে বিফ করবে এবং পরামর্শ দেবে। সেই সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে। এমনটাই জানিয়েছেন লাব্লাঁ তার বিবৃতিতে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম অব্যাহতভাবে উন্মুক্ত থাকবে, যাতে করে উপনির্বাচনের সময় প্রয়োজনীয় সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাইট টাস্কফোর্স উপনির্বাচনের সময় কোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপের চেষ্টা হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে সার্বিক মূল্যায়নের ওপর গোপন ও প্রকাশ্য প্রতিবেদন তৈরি করবে। গোপন প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী, সশ্লিষ্ট মন্ত্রী, এমপি ও সেনেটরদের নিয়ে গঠিত ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স কমিটি অব পার্লামেন্টারিয়ান্স এবং নিরাপত্তা ছাড়পত্রপ্রাপ্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের কাছে প্রকাশ করা হবে।
উইনিপেগের এলমউড-ট্রান্সকোনা এবং মন্ট্রিয়লের লাসালে-এমার্ড-ভার্ডুনে ১৬ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
