
জ্যাক লেটন ফেরি টার্মিনালে ২০২২ সালে ফেরি দুর্ঘটনার তদন্ত শেষ করেছে দ্য ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড অব কানাডা (টিএসবি)। ১৯ আগস্ট প্রকাশিত ওই তদন্ত প্রতিবেদনে ওই দুর্ঘটনার জন্য নিরাপত্তা ঘাটতির কথা বলা হয়েছে। ওই ঘটনায় শিশুসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যদি না ঘটে সেজন্য বেশ কিছু সুপারিশ করেছে টিএসবি।
২০২২ সালের ২০ আগস্ট স্যাম ম্যাকব্রিজ প্যাসেঞ্জার ফেরি সেন্টার আইল্যান্ড ছেড়ে জ্যাক লেটন ফেরি টার্মিনালের দিকে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনায় পড়ে। দুর্ঘটনার সময় ছয়জন ক্রু ও ৯১০ জন যাত্রী ছিল ফেরিটিতে।
বিকালে ৫টার পর বার্থিংয়ের সময় ফেরিটি ডকের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে দাঁড়িয়ে থাকা অথবা সিঁড়িতে অবস্তানরত ২০ জন সামনে পড়ে যান। এতে করে তারা বিভিন্ন ধরনের আঘাত পান। অধিকাংশ আঘাতই ছিল ছোটো-খাটো। তবে আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তাদের মধ্যে তিন বছর বয়সী একটি শিশুও ছিল, যার বাবা-মা সিটিনিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন।
একজন জানালেন, আমি দেখলাম তার শরীরটা উড়ে গেল। আমাদের ওয়াগন এবং সামনে থাকা ওয়াগনে সে কিছুটা আঘাত পায়। পড়ে যাওয়ার সময় তার শরীর কেটে যায়, যার জন্য সেলাইয়ের প্রয়োজন পড়ে। তার চোখের আঘাতটি আমরা তৎক্ষণাৎ প্রত্যক্ষ করি। তখন রক্ত পড়ছিল। তার পুরো মুখ রক্তে ভিজে গিয়েছিল।
টিএসবির তদন্তে উঠে এসেছে যে, ওইদিন ফেরিটি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পড়ে ছাড়ে। ফেরিটি আটটি ক্রসিং এরই মধ্যে অতিক্রম করেছিল। সবগুলোতেই যাত্রীতে ঠাসা ছিল। কর্মীদের ওপর পরিচালনার চাপ ফেরির গতি বৃদ্ধিতে কাজ করেছিল।
টিএসবি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, দুর্ঘটনার সময় ফেরিটি আগের গতির চেয়ে দ্রুত গতিতে ডকের দিকে এগিয়ে যায়। ওই সময় ফেরির দুটি প্রোপেলারের মধ্যে একটি ঘুরছিল। ফেরির গতি এবং ডক থেকে দূরত্ব বিবেচনায় নিয়ে বলা যায়, ফেরিটি থামানোর জন্য একটি প্রোপেলার যথেষ্ট ছিল না। কিন্তু পরবর্তীতে তাদের কন্ট্রোল সিস্টেম পরীক্ষা করায় এবং তাতে এটি ভালো অবস্থায় দেখা যায়। কাজ না করার কোনো ইঙ্গিত সেখানে ছিল না।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
