
কানাডার প্রধান দুই রেলওয়েতে কাজ বন্ধ করা হলে তা ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে। মম-অ্যান্ড-পপ শপ থেকে মুরু করে অসংখ্য শ্রমিকের পোশাকের দোকান সবাই এর ভুক্তভোগী হবে বলে জানিয়েছে দ্য কানাডিয়ান ফেডারেশন অব ইন্ডিপেন্ডেন্স বিজনেসেস।
গ্রুপটি জানায়, রেলওয়ের কার্যক্রমে যেকোনো ধরনের বিঘœ ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং তাদের কমিউনিটিগুলোর জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে। বহু ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পণ্য এবং অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী পাঠানো ও গ্রহণ করার জন্য রেল সেবার ওপর নির্ভরশীল। কর্মবিরতি যত দীর্ঘ হবে ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তা তত বেশি ক্ষতির কারণ হবে। সময়মতো পণ সরবরাহ ও হাতে না পেলে তাদের বিক্রি ও চুক্তিগুলো বাতিল হয়ে যেতে পারে।
কানাডিয়ান ন্যাশনাল রেলওয়ে কোম্পানি এবং কানাডিয়ান প্যাসিফিক কানসাস সিটি রেলওয়ে লিমিটেডের নেটওয়ার্কে পর্যায়ক্রমিক বন্ধ শুরুর পর্যায়ে রয়েছে। কারণ, ৯ হাজার ৩০০ প্রকৌশলী, কন্ডাক্টর এবং ইয়ার্ড কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়নের সঙ্গে দর-কষাকষির সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে। উভয় কোম্পানি এরইে মদ্যে সেবা বন্ধের নোটিশ দিয়েছে। টিমস্টার কানাডা রেল কনফারেন্স (টিসিআরসি) ধর্মঘটেরও হুমকি দিয়ে রেখেছে।
রেলওয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব কানাডার তথ্য অণুযায়ী, দুটি কোম্পানি প্রতিদিন প্রায় ১০০ কোটি ডলার মূল্যমানের পণ্য পরিবহন করে থাকে। গম থেকে শুরু করে কাঠ, জ¦ালানি তেল এবং ভোক্তা পণ্য সবই রয়েঠে এর মধ্যে।
শ্রমমন্ত্রী স্টিফেন ম্যাককিনন জোর দিয়ে বলেছেন, সময় শেষ হওয়ার আগে পক্ষগুলোকে অবশ্যই চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে। এক্ষেত্রে ফেডারেল সরকারের হস্তক্ষেপের অপেক্ষায় থাকা উচিত হবে না তাদের। দর-কষাকষির বিষয়টি সিএন রেল, সিপিকেসি এবং টিসিআরসি কর্মীদের মধ্যকার। কিন্তু এর ফলাফল ভোগ করবে সব কানাডিয়ান।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
