
অন্টারিওর শ্রেণিকক্ষে সেলফোন নিষিদ্ধের যে নতুন নিয়ম, তা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এটা এখনো খুব প্রাথমিক পর্যায়ে থাকতে পারে। তবে কিছু শিক্ষাবিদ বলছেন, সংস্কৃতির এই পরিবর্তনের জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন।
প্রযুক্তিগত এই সমন্বয় নিয়ে সব হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সমাবেশ হয়েছে। আমাদের চাওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা। কেন সেটা সেই ব্যাখ্যাও আমরা দিয়েছি।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার একটি আকাক্সক্ষা রয়েছে। তার অর্থ এই নয় যে, এই নিয়ম না মেনে শিক্ষার্থীরা পার পেয়ে যাবে। আমরা যদি নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষার্থীকে সেলফোন ব্যবহার করতেই দেখি তাহলে ধরে নিতে হবে যে, সেখানে আরও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
শ্রেণিকক্ষে এ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমি এখন পর্যন্ত কোনো বাধা পাইনি। তারা সেলফোনগুলো দৃষ্টির আড়ালেই রাখছে।
সত্যিকারের কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে সেলফোন ব্যবহার করে। সেলফোন হাতে নেওয়া খুবই সাধারণ এবং স্বাভাবিক ব্যাপার।
শিক্ষকরা বলছেন, তারা যদি নিয়মটি বাস্তবায়ন করতেই চান তাহলে তার ভঙ্গি হতে হবে সামগ্রীক। এ ধরনের আচরণ সার্বক্ষণিক মোকাবিলার সামর্থ্য অফিসের নেই। আমি শ্রেণিকক্ষে সমস্যায় পড়ছি, আমি তোমাকে অফিসে পাঠিয়ে দিচ্ছি, এই চিন্তা সত্যিই বাস্তবসম্মত নয়।
এসব ডিভাইস কোথায় জমা রাখা হবে তা নিয়েও আলোচনা চলছে। কারণ, যেকোনোভাবেই হোক ফোন যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে তার জন্য তাদেরকে জবাবদিহি করতে হবে। পেপার ব্যাগ এক্ষেত্রে একটি সমাধান হতে পারে। এটা ডেস্কের ওপরেই থাকতে পারে। এর অর্থ হচ্ছে, শিক্ষার্থীরা যদি আবার সেটা ধরতে যায় তাহলে পেপার ব্যাগের একটা শব্দ পাওয়া যাবে।
এক্ষেত্রে শিক্ষাবিদরা শিক্ষার্থীদের প্রধান যে বার্তাটি দিতে চান তা হলো শ্রেণিকক্ষে মন দাও, সেলফোনে নয়।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
