
আইনের ফাঁক গলে অপরাধীরা চোরাই গাড়ি যাতে পুনরায় বিক্রি করতে না পারে সেজন্য জাতীয় সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ফেডারেল পরিবহনমন্ত্রী অনীতা আনান্দ।
অনেক সময় গাড়ি চুরি করার পর তার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার বদলে ফেলা হয় এবং এরপর তা বিক্রি করে দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয়ে থাকে রি-ভিনিং। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রাদেশিক ও আঞ্চলিক পরিবহনমন্ত্রীদের বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছেন অনীতা আনান্দ।
মন্ত্রীর কার্যালয় থেকে চিঠিতে বলা হয়েছে, রি-ভিনিং শনাক্তে দীর্ঘদিনের আন্তঃপ্রদেশ নথি বিনিময় সহায়তা করতে পারে। এ কারণেই সব প্রদেশ ও অঞ্চলের ব্যবস্থাটিতে পুরোপুরি অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন।
তার অফিস থেকে বলা হয়েছে, প্রদেশ ও অঞ্চলগুলো নথি বিনিময়ের যে প্রযুক্তি ব্যবহার করছে তা যেনো হালনাগাদকৃত হয় সেটা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তা না হলে সম্ভাব্য চোরের একে কাঁজে লাগিয়ে অন্য উপায় খুঁজে নেবে।
গাড়ি চুরির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গত মে মাসে ফেডারেল সরকার একটি জাতীয় পরিকল্পনা প্রকাশ করে। এর মধ্যে রয়েছে পুলিশ বাহিনীগুলোর মধ্যে আরও বেশি গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করা এবং সব স্তরের সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা। একইভাবে বন্দরগুলোতে আরও বেশি হস্তক্ষেপেরও আহ্বান জানানো হয়েছে এতে।
আনান্দের কার্যালয় বলেছে, সার্বিক গাড়ি চুরি কমলেও চোরাই গাড়ির ভিআইএন বদলে ফেলার খবর পুলিশের কাছে বেশি আসছে। আনান্দ তার চিঠিতে লিখেছেন, রি-ভিনিংয়ের বিষয়টির গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে আমি সব প্রদেশ ও অঞ্চলকে এই বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানাবো, যাতে করে কানাডায় গাড়ি চুরি আরও প্রতিরোদ করা সম্ভব হয়।
কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি এক হাজার ৯০০ এর বেশি চোরাই গাড়ি আটকে দিয়েছে। এর বেশিরভাগই পাওয়া গেছে কুইবেকে। এ মাসের গোড়ার দিকে ইন্স্যুরেন্স ব্যুরো অব কানাডার প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় চার হাজার গাড়ি কম চুরি গেছে। যদিও সংখ্যাটি ১০ বছরের গড়ের দ্বিগুণ।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
