
কানাডা তাদের দেশে অভিবাসনের সংখ্যা কমাতে যাচ্ছে। গত কয়েক বছরের মধে এটাই প্রথম পদক্ষেপ। বর্তমান সরকার যে নীতির ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় থাকতে চাইছে তাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এটি।
২০২৫ সালে কানাডা ৩ লাখ ৯৫ হাজার নতুন স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা দেবে। ২০২৬ সালে এর সংখ্যা দাঁড়াবে ৩ লাখ ৮০ হাজার এবং ২০২৭ সালে ৩ লাখ ৬৫ হাজার। ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৮৫ হাজার। সরকারি সূত্র এমনটাই জানিয়েছে।
সূত্রটি বলছে, ২০২৫ সালে অস্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা ৩০ হাজার কমে দাঁড়াবে ৩ লাখে। অভিবাসনের নতুন এই লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে দ্য নাশনাল পোস্ট।
নবাগতদের স্বাগত জানানো নিয়ে বহু বছর ধরেই গর্ব করে আসছে কানাডা। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভিবাসনকে কেন্দ্র করে বিতর্ক বদলে গেছে। এর কারণ মূলত বাড়ির মূল্য বৃদ্ধি।
দুই বছর আগে সুদের হার বাড়তে থাকলে বহু কানাডিয়ান আবাসন বাজারের বাইরে ছিটকে পড়ে। একই সময়ে অভিবাসীদের ঢেউ কানাডার জনসংখ্যা রেকর্ড সংখ্যক বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে আবাসনের চাহিদা বেড়ে যায়। একই সঙ্গে বেড়ে যায় দামও।
২০২৫ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় ফেডারেল নির্বাচনকে ঘিরে কানাডার রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় বিবাদের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি। সমীক্ষাগুলো বলছে, কানাডার জনগণের বড় অংশ মনে করছে কানাডায় অভিবাসীর সংখ্যা অত্যধিক বেশি।
নবাগতের বিরুদ্ধে অপ্রীতিকর নানা ঘটনাও ঘটছে এবং হেইট ক্রাইমও বেড়ে গেছে। এমনটাই বলছেন সংখ্যালঘু, অ্যাডভোকেট এবং কমিউনিটির সদস্যরা। অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা সরকারের এই পরিবর্তনের সমালোচনা করেছেন।
কানাডিয়ান ইতিহাসে সবচেয়ে নিন্দনীয় ঘটনা আমরা দেখতে পাচ্ছি। স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা হ্রাস অভিবাসীদের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ আঘাত। কারণ, এর ফলে তারা অস্থায়ী হিসেবেই থেকে যাবে অথবা অবৈধ হয়ে পড়বে।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
