আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পাচার বন্ধে সহযোগিতা চায় ব্র্যাম্পটন

মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন বলেন সাদা চোখেই এটা ঘটছে এবং পিল রিজিয়নে আমরা আরও বেশি নাজুক

নাজুক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা যাতে নিপীড়িত ও পাচার না হয় সেজন্য ফেডারেল এবং প্রাদেশিক সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে ব্র্যাম্পটন। সিটি কর্মকর্তা ও বেশ কিছু সামাজিক সেবা সংস্থার প্রতিনিধিরা বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে ব্যাম্পটনের মেয়রের ভাষায় ‘আমাদের সমাজের ক্যানসার’র বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্য দুই সরকারের প্রতি আরও বেশি কিছু করার আহ্বান জানানো হয়।

মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন বলেন, সাদা চোখেই এটা ঘটছে এবং পিল রিজিয়নে আমরা আরও বেশি নাজুক। আপনারা জানেন যে, আন্তর্জাতিক বিমাবন্দর, প্রধান প্রধান মহাসড়ক, আন্হর্জাতিক হাব আমাদের সমাজে এই ক্যানসারের নেক্সাস পয়েন্ট।

- Advertisement -

৬৫০ এর বেশি মানবপাচারের ঘটনায় ২০২০ সাল থেকে পিল রিজিয়নাল পুলিশ (পিআরপি) ১৬০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। চলতি বছরের এখন পর্যন্ত স্থানীয় পুলিশের প্রতিষ্ঠিত মানবপাচার ইউনিট নিপীড়ন ও পাচারের ১১০টি তদন্ত করেছে। ২০২৩ সালে যেখানে সংখ্যাটি ছিল ১২৭টি।

মেয়র বলেন, কানাডার মধ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ব্র্যাম্পটনে। তাদের বিরুদ্ধে অন্যায় বন্ধে তাদের হাতে থাকা সব ধরনের পদ্ধতি তারা প্রয়োগ করছেন। এর মধ্যে রয়েছে কোন দিকে নজর রাখা পয়োজন সে ব্যাপারে এঢারলাইন্স ও স্থানীয় হোটেলগুলোকে শিক্ষিত করে তোলা, পোস্ট-সেকেন্ডারি ইনস্টিটিউশনগুলোর জন্য একটি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চার্টার প্রতিষ্ঠা করা।

কিন্তু এ ধরনের ঘটনা ঘটছেই। তদন্তকারীরা সম্প্রতি একটি ইউনিটে ১৮ জন নারী ভাড়াটিয়াকে খুবই খারাপ পরিবেশে বসবাস করতে দেখেন। বিষয়টি এখন পিল রিজিয়নাল পুলিশ দেখছে বলে জানান ব্রাউন।

২৩ অক্টোবরের সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন ব্র্যাম্পটনের কাউন্সিলর রোয়েনা স্যান্টোস। বুধবার তিনি একটি প্রস্তাবও আনেন এবং কাউন্সিল সর্বসম্মতিক্রমে সেটি অনুমোদন করে। প্রস্তাবে ব্র্যাম্পটন এবং সারাদেশে বিপন্ন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নীপিড়র এবং পাচার বন্ধে সব স্তরের সরকারের সহায়তার কথা বলা হয়েছে।

This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI

- Advertisement -

Read More

Recent