
প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি তার প্রথম বিদেশ সফরে কানাডার দুই শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক গভীর ও উন্নত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য সফরের উদ্দেশে কানাডা ত্যাগের আগে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
কানাডা যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে সেই সময় ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কের স্টারমার এবং কিং চালর্স তৃতীয়র সঙ্গে কারনির এই বৈঠক। সবগুলো বৈঠকই ব্যস্ত সফরের অংশ। এর মধ্যে রয়েছে নতুনভাবে ফিরিয়ে আনা নটর-ডেম ডি প্যারিস ক্যাথেড্রাল পরিদর্শন।
সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ সূত্র সাংবাদিকদের বলেন, আমি মনে করি বার্তা এটা যে বিশ^ব্যাপী কানাডার ভালো বন্ধু আছে। যুক্তরাষ্ট্রেরও ভালো বন্ধু কানাডা। কিন্তু কী হচ্ছে তা আমরা সবাই জানি।
ওই কর্মকর্তা বলেন, আমাদের দুই প্রতিষ্ঠাতা দেশের সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবেন প্রধানমন্ত্রী।
স্টারমার ও কারনির মধ্যে বৈঠকে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর একটি ধারাবাহিক চুক্তিই কেবল বলবৎ আছে। ওই সরকারি কর্মকর্তা বলেন, সেটা স্বাক্ষরের পর ব্লকটির সঙ্গে কানাডার মোট বাণিজ্য ৬০ শতাংশ বেড়েছে। কানাডা-ইইউ তম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড এগ্রিমেন্টের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে এই মন্তব্য করেন তিনি। ২০১৬ সালে বাণিজ্য চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়, ২০১৭ সালে যা কার্যকর হয়।
ফ্রান্স এখন পর্যন্ত সেটা অনুস্বাক্ষর করেনি। যদিও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ফান্স কানাডার তৃতীয় বৃহৎ পণ্য বাণিজ্যের অংশীদার। দেশটির সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ এক হাজার ৪২০ কোটি ডলার।
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে রোববার ফোনালাপে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইউক্রেনের প্রতি কানাডার সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন কারনি। আলবার্টার কানানাস্কিসে এ বছরের জুনে অনুষ্ঠেয় জি৭ সম্মেলনে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে জেলেনস্কিকে যোগদানের আমন্ত্রণ জানান কানাডার প্রধানমন্ত্রী।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
