
ওপিয়ড ওভারডোজের কারণে গত বছর কানাডায় প্রতিদিন মৃত্যু হয় ২০ জনে। ফেডারেল স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেন, যদিও ওপিয়ড সংক্রান্ত মাদকের বিষক্রিয়ায় মৃত্যু আগের বছরের তুলনায় ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
কানাডার জনস্বাস্থ্য সংস্থা এ সংক্রান্ত ২০২৪ সালের উপাত্ত বুধবার প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা গেছে, ওপিয়ড ওভারডোজের কারণে গত বছর কানাডায় মারা গেছে ৭ হাজার ১৪৬ জন। এই মৃত্যুর ৮০ শতাংশ হয়েছে কানাডার তিনটি প্রদেশে। এগুলো হলো ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, আলবার্টা এবং অন্টারিও। যদিও তিনটি প্রদেশেই ওপিয়ড ওভারডোজের কারণে মৃত্যু আগের বছরের চেয়ে কমেছে।
দেশের প্রধান জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চিফ করোনার এবং চিফ মেডিলে ইক্রামিনারের যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, ২০২৪ সালে আগের বছরের তুলনায় মৃত্যু বেড়েছে কুইবেকে, উত্তরপশ্চিম অঞ্চল এবং নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডরে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঔপনিবেশিবতা এবং অব্রাহত প্রান্তিকীকরণের ফলে অনেক আদিবাসী কমিউনিটিতে ওপিয়ড ওভারডোজের কারণে মৃত্যু বেড়েছে। এই প্রবণতা বেশি আদিবাসী নারীদের মধ্যে।
ম্যানিটোবা, নোভা স্কশিয়া এবং প্রিন্স এডওয়ার্ড আইল্যান্ডে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের মধ্যে মৃত্যু অপরিবর্তিত রয়েভেছ বা সামান্য পরিবর্তিত হয়েছে। এর বাইরে বাকি সব প্রদেশ ও অঞ্চলে ২০২৪ সালে ওপিয়ড সংক্রান্ত মৃত্যু আগের বছরের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে।
ওপিয়ড সংক্রান্ত বিষক্রিয়ার কারণে হাসপাতালে ভর্তিও ২০২৪ সালে আগের বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। গত বছর ওপিয়ড সংক্রান্ত বিষক্রিয়ার কারণে সারাদেশে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৫ হাজার ৫১৪ জন। গত বছর ওপিয়ড ওভারডোজ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে হাসাপাতালের জরুরি বিভাগগুলোতে এসেছিলেন ২৪ হাজার ৫৮৭ জন এবং এ সংক্রান্ত ৩৬ হাজার ২৬৬টি কলে সারা দেন ইমার্জেন্সি ফার্স্ট রেসপন্ডাররা। এ সংখ্যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ কম।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
