
এই শহরে মানবিক দিক বিবেচনায় রেখে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে সবাই এক হয়ে আমরা আমাদের একাত্ত্বতা ঘোষণা করেছি, মৃত্যু মিছিলের জন্য সুবিচার চেয়েছি, ছাত্ররা নিরাপদে মায়ের কোলে ফিরে যাক – এই চেয়েছি। বুঝেছিও কিছু সুযোগ সন্ধানীরা এই সময় ঢুকে পরেছে অতি সাবধানে উস্কানীমূলক কার্য উদ্ধারে। তাই, অতি সাবধান, আমরা যেন এদের ক্ষপরে না পরি।
আমরা ফেইসবুক এ অনেক লেখালেখি করে, একে অন্যকে ক্ষতবিক্ষতও করছি। বন্ধু লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দিচ্ছি। আমি জানতে চাই, দুই মতাদর্শের স্বামী স্ত্রী একই ছাদের তলে দিব্বি তাদের সংসার জীবন পালন করছেন। যদি তাদের কেটে ছেটে বাদ না দেই তাহলে ফেইসবুক বন্ধু বাতিল করি কেন? এই ফেইসবুক এর লেখা গুলি কোথাও যাচ্ছে কী না কি শুধু দেয়ালে দেয়ালে বাড়ি খাচ্ছে? কেউ কী শুনছে নাকি আমরা নিজেদের মধ্যে বিভেদ করে ৩য় শক্তি কে বেগবান করছি?
আরেকটি কথা, শহরে অনেক পিকনিক, বিয়ে, অনুশঠান আগে থেকেই নিরধারিত ছিল। এক একটি আয়োজন অনেক স্রম ও ব্যয়বহুল। কেউ জানতো না এমন কিছু ঘটবে। কিন্তু লক্ষ্যনীয় কিছু মানুষ এই আয়োজন গুলি বন্ধ করবার জন্য তাদের চাপ দিচ্ছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালেখি হচ্ছে।
আমার মুক্ত চিন্তা এটা ওই সংগঠনের উপর ছেড়ে দিন তারা কি করবে। তাদের পরিস্থিতি তারাই ভালো জানেন। আপনার যদি এসব দেখে মনখারাপ লাগে আপনি ওই আয়োজনে যাবেন না, কিন্তু তাকে মিডিয়ায় খারাপ বা ভিলেন চরিত্র বানানোর দরকার নেই। বুঝতে হবে এটাও ওর মেয়ে বিয়ে দেবার মত, পরিবর্তন সম্ভব নয়। বিবেচক হই সবাই। সেই আয়োজকরাও ভালো নেই এটূকু আপনাদের বলতে পারি। They are in the wrong time – তাদের কস্টের পাল্লা আর ভারী না করি।
সবশেষে, আমরা কেউ কী অফিস যাওয়া বন্ধ করেছি? সামাজিক যোগাযোগ বন্ধ করেছি? সব চলছে কারন life has to go on… শো চলবে। আমাদের সামনে এগুতে হবে। আপনি মিছিলের কাতারে অন্য কেউ সামনে নেই বলে ভাববেন না সে অমানবিক। তার হয়তো কোন কারণ আছে এক কাতারে না দাড়ানোর জন্য।
দেশের মানুষের জন্য খারাপ লাগা আমি রেখে যাচ্ছি আমার দেয়ালে। মায়েদের বুক খালি হয়েছে, তাদের জন্যও অনেক খারাপ লাগা নিয়ে দিন শুরু হয় আমার। কারন এটা কেঊ চাই না।
We want justice for those innocent students.
দেশে শান্তি ফিরে আসুক। মানবিক হোক সকলে।
বিদ্র: আমার ভাবনা আমি লিখেছি। আমি কাউকে সহমত জানানোর জন্য লিখিনি।
স্কারবোরো, কানাডা
