নতুন কন্ডো বিনিয়োগকারীরা প্রতিদিনই অর্থ খোয়াচ্ছেন

কানাডার সর্ববৃহৎ কন্ডো মার্কেট কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরীক্ষার মুখে পড়েছে

কানাডার সর্ববৃহৎ কন্ডো মার্কেট কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরীক্ষার মুখে পড়েছে। কারণ, প্রতি মাসেই অর্থ খোয়ানো বিনিয়োগকারীর সংখ্যা এবং তাদের লোকসানের পরিমাণ উভয়েই ব্যাপক স্ফীত হয়েছে। সিআইবিসি ও আরবানেশনের নতুন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যয় বৃদ্ধি সদ্যই নির্মাণ শেষ হয়েছে এমন কন্ডোতে বিনিয়োগ করা ৮২ শতাংশের ক্যাশ-ফ্লো ঋণাত্বক হয়ে গেছে। এদের প্রত্যেকেরই মর্টগেজ রয়েছে। গত বছর সংখ্যাটি ছিল ৭৭ শতাংশ। আর ২০২০ সালে ছিল ৪০ শতাংশ।

- Advertisement -

ডলারের হিসাবে ২০২৩ সালে যারা কন্ডো বন্ধ করে দিয়েছেন সেইসব বিনিয়োগকারীর মাসিক ঋণাত্বক ক্যাশ-ফ্লোর পরিমাণ ৫৯৭ ডলার। ২০২২ সালে যেখানে অঙ্কটি ছিল ২২৩ ডলার। তবে যেসব বিনিয়োগকারী ২০২১ ও ২০২০ সালে কন্ডো পেয়েছেন তারা এখনো প্রতি মাসে মুনাফা করছেন। তবে গত মাসে যারা কন্ডো পেয়েছেন তাদের প্রতি মাসে ঋণাত্বক ক্যাশ-ফ্লোর পরিমাণ এক হাজার ডলারের বেশি। এই বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ।

এই প্রবণতার মূলে রয়েছে আগের কন্ডোর মূল্য বৃদ্ধি এবং উচ্চ সুদের হার, যা কন্ডোতে বিনিয়োগকারীদের চাপে ফেলে দিয়েছে। নতুন কন্ডো বিক্রি ২৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে, যা বাজারে ব্যাপক ঝুঁকি তৈরি করছে।

বর্তমানে যে পরিস্থিতি তাতে এটা বলাই যায় যে, সাধারণভাবে কানাডার বিশেষ করে গ্রেটার টরন্টো এরিয়ার বাজার ১৯৯১ সালের মন্দার পর সবচেয়ে বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে পড়েছে।

আরবানেশনের তথ্য অনুযায়ী, কন্ডো বিনিয়োগকারীরা পীড়ার মধ্যে থাকলেও এর সরবরাহ ব্যাপক বেড়েছে। তবে কন্ডোর দামের ওপর বড় কোনো চাপ সৃষ্টি করছে না এটি। গত মাসে অবিক্রিত ইউনিটের দাম হ্রাস পায় মাত্র ২ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে গত দুই বছরে হ্রাস পেয়েছে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ।

This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI

- Advertisement -

Read More

Recent