
মহামারির পর টরন্টোর পর্যটন শিল্প প্রায় পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞ ও ছোট ব্যবসার কর্ণধাররা বলছেন, অর্থনৈতিক চাপ শিল্পটিকে পুরোপুরি বিকশিত হওয়ার ক্ষেত্রে পেছন থেকে টেনে ধরছে।
২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারি শুরু হওয়ার পর পর্যটন শিল্প প্রায় পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আমাদের পুনরুদ্ধার এখনো পুরোপুরি হয়নি। মহামারির আগে আমরা যেখানে ছিলাম বর্তমানে তার ৯৩ শতাংশ কাছাকাছি পৌঁছেছি। আমরা কাছাকাছি যাচ্ছি। কিন্তু এখনো যেতে পারিনি। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কিছুটা হলেও পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শ্লথ করে দিচ্ছে। এখানে একটামাত্র বিষয় নয়, অনেকগুলো বিষয় জড়িত। কিন্তু আমরা সেই পুনরুদ্ধারটা দেখব। এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
২০২২ সালে মহামারির অবসানের পর আশ্চর্যজনকভাবে ব্যবসা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই গ্রীষ্মে পরিস্থিতি বদলে গেছে। এই গ্রীষ্ম বিশেষ করে আমার জন্য গত গ্রীষ্মের চেয়ে শ্লথ ছিল।
আমার জন্য এই গ্রীষ্মটি গত বছরের গ্রীষ্মের সত্যিই শ্লথ। একাধিক শিল্প পরিচালনায় আমি হিমশিম খাচ্ছি। কারণ, আমি ওয়াকিং ফুড ট্যুরস পরিচালনা করি। তাই আমার সামনে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে কোভিডের পর শুরু হওয়া খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি। কোভিড-১৯ এর পর আমার ট্যুরের ব্যয় উল্লেখযোগ্য বেড়েছে। কারণ, সব রেস্তোরাঁই খাবারের দাম বাড়িয়েছে। আমি আমার টিকিটের মূল্য ৩০ শতাংশের বেশি বাড়িয়েছি।
মহামারি শেষ হওয়ার পর থেকে তাদের কোম্পানি খুবই ভালো করছিল। কিন্তু সম্প্রতি অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে তুলনামূলক সস্তায় সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তাদের কিছু ট্যুর সমন্বয় করতে হচ্ছে। মহামারির পর থেকে টরন্টোর পর্যটকের সংখ্যা ভালো ছিল। আমরা দেখছি যে, লোকজন অনেক বেশি ব্রমণ করছেন। একই সঙ্গে তারা সস্তায় সেটা হয় কিনা সেটা খুঁজছেন।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
