
ব্যয়বহুল ঋণের মধ্যে ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ টরন্টোর স্তিমিত আবাসন বাজারের রাশ এই গ্রীষ্মেও টেনে ধরতে পারে। আরবিসির নতুন এক প্রতিবেদনে এমনটাই তুলে ধরা হয়েছে।
গত সপ্তাহে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, বিক্রির দিক দিয়ে টরন্টোসহ সমগ্র কানাডার আবাসন বাজারকে চাঙ্গা করতে সুদের হার আরও কমানো প্রয়োজন। জুনে বিক্রি কিছুটা বাড়লেও জুলাইয়ে তার বিপরীত প্রবণতা দেখা গেছে। গত মাসে বিক্রি কমেছে দশমিক ৭ শতাংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রয় ক্ষমতার এই চাপের মধ্যে ক্রেতারা স্পষ্টতই আরও বেশি সুদের হার কমানোর দিকে তাকিয়ে আছে। এই সময়ে সরবরাহ ব্যাপক বেড়েছে। কন্ডো অ্যাপার্টমেন্টের ক্ষেত্রে এটা সত্য। যেখানে নতুন ইউনিটের নির্মাণ শেষ হওয়া এ বছর ব্যাপক বেড়েছে। এর ফলে বিক্রির জন্য লিস্টিং বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪ শতাংশ। ডিটাচড হোমের লিস্টিংও এক বছর আগের তুলনায় ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত চার মাস ধরে বাড়ির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। সার্বিক এমএলএস হোম প্রাইস ইনডেক্স বেঞ্চমার্ক ছিল জুলাইয়ে ১০ লাখ ৯০ হাজার ডলার, এপ্রিলের সঙ্গে তুলনা করলে যা অপরিবর্তিত। কিন্তু আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তা ৫ শতাংশ কম। বার্ষিক মূল্য হ্রাসে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে কন্ডোর দাম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কন্ডোর সরবরাহ বৃদ্ধি নিকট ভবিষ্যতে এর দামে নিম্নমুখী চাপ তৈরি করবে বলে আমরা ধারণা করছি। এ বছরের শেষের দিকে চাহিদা ঘুরে দাঁড়াবে এবং ২০২৫ সালে তা অব্যাহত থাকবে।
প্রতিবেদনের লেখকের তথ্য অনুযায়ী, এ গ্রীষ্মের শুরুর দিকে ব্যাংক অব কানাডার সুদের হার কর্তন কানাডার ধুকতে থাকা আবাসন বাজারের জন্য টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখা দেয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত এর প্রভাব মিশ্র।
ব্যাংক অব কানাডা জুলাইয়ে নীতিনির্ধারণী সুদের হার ৪ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ২০২২ সালের গোড়ার দিকে আগ্রাসীভাবে সুদের হার বাড়ানো শুরু করার পর এ নিয়ে দুই দফা সুদের হার কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
