
মেডিকেলি অ্যাস্টিটেড বা স্বেচ্ছামৃত্যু এখন কানাডায় মৃত্যুর পঞ্চম শীর্ষ কারণ। নতুন এক প্রতিবেদনে এমনটাই উঠে এসেছে।
কানাডিয়ান থিঙ্কট্যাঙ্ক কারডাসের প্রকাশিত প্রতিবেদনে কানাডার মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্স ইন ডাইয়িংয়ের (এমএআইডি) একটি করুণ ছবি উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালে এভাবে মৃত্যু বৈধ করার পর ১৩ গুন বেড়েছে।
এক দশকেরও কম সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছামৃত্যু বিরল ব্যতিক্রম থেকে রুটিন মৃত্যুতে পরিণত হয়েছে। দিও শুরুতে বিরল ব্যতিক্রম হিসেবে মনে করেছিলেন, নীতিনির্ধারক, আদালতগুলো এমনকি কার্টার বনাম কানাডা মামলায় বিবাদীর প্রধান আইনজীবীও।
২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত আমরা দেখেছি স্বেচ্ছামৃত্যু যখন শুরু হয়েছিল তখন থেকে তা ১৩ গুন বেড়েছেভ। সংক্ষেপে বললে, বিশে^র যেকোনো দেশের তুলনায় কানাডায় স্বেচ্ছামৃত্যু দ্রুত গতিতে বাড়ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালে মেডিকেলি অ্যাসিস্টেড সুইসাইডে এক হাজার ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২২ সালে সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ হাজার ২৪১টি।
২০২২ সালে কানাডায় যতগুলো মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে স্বেচ্ছামৃত্যু ৪ শতাংশ, যা পঞ্চম শীর্ষ। ২০২২ সালে কানাডায় সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় ক্যানসারে ৮২ হাজার ৪১২ জনের। এর পর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হৃদরোগ ৫৭ হাজার ৩৫৭, কোভিড-১৯ এ ১৯ হাজার ৭১৬, দুর্ঘটনায় ১৮ হাজার ৩৬৫ এবং সেরিব্রোভাস্কুলার রোগে ১৩ হাজার ৯১৫ জনের।
নেদারল্যান্ডসকে বাদ দিলে যেকোনো দেশে এটাই সবচেয়ে বেশি স্বেচ্ছামৃত্যু। নেদারল্যান্ড কয়েক দশক ধরেই স্বেচ্ছামৃত্যুকে অপরাধ নয় বলে ঘোষণা দিয়ে আসছে। সুতরাং এটি সীমিত এবং বিরল করে তুলতে আপনাকে নতুন কর্মসূচি নিতে হবে। এবং আমার দেখেছি যে, এটা এখন আার শেষ অবলম্বন নয়।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
