
আগামী বছর চিঠি পাঠানো আরও ব্যয়বহুল হবে। কারণ, কানাডা পোস্ট অভ্যন্তরীণ স্ট্যাম্পের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছে।
ক্রাউন কর্পোরেশনটি ৭ সেপ্টেম্বর এক ঘোষণায় বলেছে, কানাডিয়ানদের কাছে চিঠি পৌঁছে দেওয়ার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে সব ধরনের স্ট্যাম্পের দাম এককালীন ২৫ সেন্টের মতো বাড়ানোর প্রস্তাব করছে তারা।
নতুন এই হার নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলে স্ট্যাম্পের দাম ২৫ সেন্ট বেড়ে ১ দশমিক ২৪ ডলারে দাঁড়াবে। কানাডা পোস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ডগ এটিঙ্গার এক বিবৃতিতে বলেছেন, সেবা প্রদানে যে ব্যয় তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্ট্যাম্পের মূল্য নির্ধারণ নিশ্চিত করা একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। সারাবিশে^র পোস্টাল সেবাগুলো যে ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই পদক্ষেপ।
তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো কর্পোরেশন যেসব দীর্ঘমেয়াদী কাঠামোগত এবং আর্থিক সমস্যার মুখে পড়েছে তা সমাধানে আরও বেশি কিছু করা প্রয়োজন। আমাদের ব্যয় ব্যবস্থাপনার জন্য আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। কানাডিয়ানদের আজ ও আগামীকালের সেবা হিসেবে পোস্টাল সার্ভিসকে নিশ্চিত করতে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি আমরা।
কানাডা পোস্টের অভ্যন্তরীণ উপাত্ত অনুযায়ী, গত দুই দশকে লেটার মেইল সেবার আকার ৬০ শতাংশ কমেছে। ২০০৬ সালে ৫৫০ কোটি চিঠি বিলি করা হলেও ২০২৩ সালে তা কমে দাঁড়ায় ২২০ কোটিতে। এ হিসাবে, ২০০৬ সালে কানাডিয়ান পরিবারগুলো প্রতি সপ্তাহে প্রায় সাতটি করে চিঠি পেত। ২০২৩ সালে সংখ্যাটি নেমে আসে মাত্র দুইটিতে।
সংখ্যা কমলেও যেসব ঠিকানায় চিঠি পাঠানো হয় তা ৩০ লাখ বেড়েছে এবং এই বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। কানাডা পোস্ট বলেছে, ২০২৩ সালে তাদের কর্মীরা ১ কোটি ৭৪ লাখ ঠিকানায় চিঠি বিলি করেছেন। এর ফলে গত ছয় বছরে কানাডা পোস্টের কর-পূর্ব লোকসান হয়েছে ৩০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে ২০২৩ সালে লোকসান হয় ৭৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
