
মানসিক স্বাস্থ্য আইন পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন অন্টারিওর বড় সিটিগুলোর মেয়ররা। সেই সঙ্গে যারা মাদকাসক্ত ও রাস্তায় বসবাস করেন তাদেরকে তাদের অনিচ্ছায় চিকিৎসার সুযোগ সম্প্রসারণ করা যায় কিনা সেটাও পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
দ্য অন্টারিও বিগ সিটি মেয়রসের প্রতিনিধিত্ব করেন ২৯ জন মেয়র। সংগঠনটি বলেছে, সম্মতি ছাড়া তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়ার অবস্থানে তারা নেই। যদিও ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার সরকার সম্প্রতি সম্মতি ছাড়াই তাদের চিকিৎসা সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
কিন্তু কোভিড-১৯ এর পর থেকে অন্টারিওজুড়ে গৃহহীন মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তারা বলেছে, এ নিয়ে তারা প্রাদেশিক সরকারের সঙ্গে আলোচনায় যেতে চায়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রদেশজুড়ে এনক্যাম্পমেন্টের সংখ্যা বেড়েছে। একই সঙ্গে বাড়ি ক্রয় ও ভাড়া উভয়েই ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ওভারডোজের কারণে মৃত্যুও বেড়েছে এবং মেয়ররা প্রাদেশিক ও ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে আশু পদক্ষেপ দাবি করছেন।
গত বছর ওপিয়ড সংশ্লিষ্ট মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৬০০ জনের, ২০১৯ সালের তুলনায় যা ৫০ শতাংশ বেশি। অন্টারিওর লন্ডনের মেয়র জশ মরগ্যান বলেন, এই প্রদেশে যারা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং মাদকাসক্ত সময়মতো প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার মতো উপযুক্ত কোনো সুবিধা এখানে নেই। এটা পুরো প্রদেশজুড়েই বড় সংকট এবং আমরা জানি যে, সরকারকে এদিকটাতে যেতে হবে।
মেয়ররা শুক্রবার বলেন, তারা চান যে, মানসিক স্বাস্থ্য আইন এবং হেলথ কেয়ার কনসেন্ট অ্যাক্ট সরকার জরুরিভিত্তিতে পর্যালোচনা করুক, যা তাদেরকে স্বল্প সময়ের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানোর সুযোগ দেবে।
মরগ্যান বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা যে হারে বাড়ছে, আইনগুলো লেখার সময় বিষয়টি সেভাবে ভাবা হয়নি। সুতরাং, আমাদের আহ্বান হচ্ছে, সঠিক মেডিকেল ও স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের পাশাপাশি মিউনিসিপালিটি এবং আমাদের সড়কে যারা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন তাদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে আশু আইন দুটি পর্যালোচনা ও হালনাগাদ করা হোক। এটা যৌক্তিক চাওয়া।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিলভিয়া জোন্স বা মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সহযোগী মন্ত্রী মাইকেল টিবোলো কেউই অনিচ্ছা সত্ত্বে চিকিৎসা সম্প্রসারণের বিষয়টি উড়িয়ে দেননি। তবে উভয়েই বলেছেন, তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী চিকিৎসাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন তারা।
This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI
