ইয়ো-ইয়ো ডায়েটিংয়ের জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা

ইয়ো ইয়ো ডায়েটিংয়ের ওজন বৃদ্ধি ও হ্রাসের চক্র একটি জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা

ইয়ো-ইয়ো ডায়েটিংয়ের (ওজন বৃদ্ধি ও হ্রাসের চক্র) একটি জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেওয়া যেতে পারে। যেখানে লোকজনের ওজন বৃদ্ধি পায়, ডায়েটে চলে যায় এবং এরপর আবারও ওজন বাড়ে। নেচার সাময়িকীতে প্রকাশিত নতুন এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, স্থুলতা একবার ওজন বাড়ার পর ফ্যাট সেলকে শরীরের মেমোরি সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করে।

কোষের জিনতাত্ত্বিক এই পরিবর্তন ইয়ো-ইয়ো ডায়েটিং ব্যাখ্যায় সহায়তা করতে পারে। এমনটাই জানান সউজারল্যান্ডের ফেডারেল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ইন জুরিখের নিউট্রিশন অ্যান্ড মেটাবোলিক এপিজেনেটিক্সের অধ্যাপক ফার্ডিনান্ড ভন মেয়েন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ফ্যাট সেল স্থুলতা অবস্থা স্মরণ করতে পারে এবং এই অবস্থায় দ্রুত ফিরে আসতে পারে।

- Advertisement -

ইঁদুরের ওপর ইয়ো-ইয়ো প্রভাবের মলিকুলার কারণ খুঁজে দেখেছেন গবেষকরা এবং প্রাণীটির ফ্যাট সেলের জিনগত পরিবর্তন দেখতে পেয়েছেন। ডায়েটে রাখার পর ইঁদুরগুলোর ওজন কমে। কিন্তু হাউ-ফ্যাটে রাখলে দ্রুত তাদের ওজন ফিরে আসে।

মানুষের ফ্যাট টিস্যু বিশ্লেষণ কেের গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, এই নমুনাতেও একই এপিজেনেটিক বিদ্যমান। অর্থাৎ, ডিএনএ সিকুয়োন্সের বদল ছাড়াই কোষ কীভাবে জিনের কর্মকা- নিয়ন্ত্রণ করে সেটা। এর অর্থ হচ্ছে ইয়ো-ইয়ো ইফেক্টের পেছনে আমরা একটি মলিকুলার ভিত্তি পেয়েছি বলে জানান ভন মেয়েন।

তবে শরীর যে স্থুল ছিল কত সময় পর্যন্ত ফ্যাট সেল তা স্মরণ করতে পারে সেটা তদন্ত করে দেখেননি গবেষকরা। গবেষণায় অংশ নেওয়া পিএইচডি শিক্ষার্থী লরা হিন্ট বলেন, ফ্যাট সেল দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে সক্ষম কোষ। নতুন কোষের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত হওয়ার আগে গড়ে ১০ বছল পর্যন্ত বেঁচে থাকে এসব কোষ। সেল থেকে এই স্মৃতি মুছে ফেলার কোনো সুযোগ নেই।

This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI

- Advertisement -

Read More

Recent