
কোন এক সুন্দরী রাতে রংগীন খামে লেখা তোমার চিঠির মতো তোমাকে দেখতে ভীষণ ইচ্ছে করে,
জ্যোৎস্না ভেজা রাতে আমার খোলা জানলায় একটুকরো আলো ঠিকরে এসে মেঝেতে পরে
আমার লুটানো আচঁলের নীচে,
ভ্ৰম হয় তুমি নও তো আবার ?
ছূঁয়ে দিয়ে অম্নিই পালিয়ে না যাও যদি
সেই অপেক্ষায় বসে থাকি
দোল্যায়মান শূণ্যতার হাত ধরে ,
দ্ৰাঘিমা রেখার মতো কল্পনা করি
তোমার অবস্থান; সুমেরূ বিন্দু থেকে কুমেরূ
বিন্দুর মতো অৰ্ধবৃত্তাকার পরস্পর অসমান্তরাল
কাল্পনিক রেখার মতোই তোমার আমার সম্পৰ্ক!
ঘুরে ফিরে কাছে এসেও
আবারো অন্যমনে অন্যপথে বিচরন,
কেমন যেন মেঘ তোমাকে ভালোবাসবে না
জেনেও মেঘের কাছে যাবার এক সুতীব্ৰ ইচ্ছের মতো।
কখনো মনে হয় ভালোবাসা এমনই
সে ছূঁয়ে দিয়ে দৌড়ে পালায়
শেষ বিকেলের মন খারাপের আলোর মতো ,
তবুও কোথায় যেন বুকের গভীরে
একটুকরো পারদ খুব সজতনে উঠানামা করে
বাম অলিন্দ বেয়ে,
আমার কষ্টের তাপমাত্ৰা দেখে রাখে ,
কষ্ট এলে তাপ বাড়ে,
কষ্ট কমলে তাপমাত্ৰা কমে,
বুকের বাম পাশে স্মৃতির জোনাকীরা
আলো জ্বেলে বসে আছে ,
যদি তুমি আসো !
