শিকারের আইন শিথিল

ফরেস্ট্রি অ্যান্ড পার্কস মন্ত্রী টড লোয়েন বুধবার ১২ মার্চ এমনটাই জানিয়েছেন

আলবার্টার শিকারীরা শিগগিরই মাংসের জন্য ভালুক ও কুগার শিকার করতে পারবেন। ডিজিটাল পারমিট কিনে লেজার সাইটের সাহায্যে তারা এই শিকার করতে পারবেন।

প্রদেশের বন্যপ্রাণী আইনে যেসব সংশোধনী আসছে এটা তার মধ্যে অন্যতম। এর ফলে শিকার অনেক বেশি বিস্তৃত হবে এবং ফিশ ও গেম কর্মকর্তাদের পক্ষে প্রাণী-মানুষ সংঘাত কমিয়ে আনা সহজ হবে। ফরেস্ট্রি অ্যান্ড পার্কস মন্ত্রী টড লোয়েন বুধবার ১২ মার্চ এমনটাই জানিয়েছেন।

- Advertisement -

লোয়েন বলেন, এই পরিবর্তন কেবলমাত্র সময়ের সঙ্গে তাল মেলানোর জন্য নয়; বন্যপ্রাণী ও যারা এই সম্পদের ওপর নির্ভরশীল তাদের সুরক্ষায় সহায়তার জন্য সাধারণ বুদ্ধির পরিবর্তন। প্রস্তাবিত এসব পরিবর্তন নীতিমালাগুলোকে সরল করার পাশাপাশি আমাদের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা চর্চাকে একইসঙ্গে চেকসই করবে এবং নতুন পরিবর্তন ও সম্ভাবনার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করবে।

এর আগে শিকারীরা যে শিকারকৃত বৃহৎ প্রাণীর চামড়া ব্যবহার করবেন সেই নিশ্চয়তা দিতে হতো। তবে বিল ৪১ পাস হলে ওইসব প্রাণী খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।

লোয়েন বলেন, কোনো প্রাণী যখন সংগ্রহ করা হয় তখন যাতে সেটি নৈতিকভাবে করা হয় এবং ওই প্রাণীর কোনো অংশই যাতে অপচয় না হয় সেটা নিশ্চিত করতে চাই আমরা।

শিগগিরই লেজার-গাইডেড রাইফেল সাইটের অনুমতি দেওয়া হবে। যদিও এই ডিভাইসের সাহায্যে পুরো প্রাণীকে আালোকিত করা এখনো নিষিদ্ধ।

নতুন আইন অনুযায়ী, শিকারীদের কমপক্ষে ছয় মাস ধরে আলবার্টার বাসিন্দা হতে হবে। এ ছাড়া প্রথাগত ফিজিক্যা হান্টিং ট্যাগের পরিবর্তে ফোনের অ্যাপে ইলেক্ট্রনিক ট্যাগ ইস্যু করা হবে বলে প্রাদেশিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

লোয়েন বলেন, আমাদের নীতিমালাগুলোকে আমরা আরও বেশি শিকারের আধুনিক চর্চা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে যাচ্ছি।

This article was written by Rezaul Haque as part of the LJI

- Advertisement -

Read More

Recent