
কানাডিয়ান পোস্টাল কর্মীদের ইউনিয়ন ওভারটাইম কাজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে। এর পরিবর্তে সদস্যরা বাণিজ্যিক ফ্লায়ার বিতরণ বন্ধ করেছে। কানাডা পোস্ট যাতে দর-কষাকষির টেবিলে বসে সেজন্যই এই পদক্ষেপ।
বাণিজ্যিক ফ্লায়ার বিতরণ বন্ধের সিদ্ধান্ত সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাডিয়ান ইউনিয়ন অব পোস্টাল ওয়ার্কার্সের প্রেসিডেন্ট ইয়ান সিম্পসন। সামনে সম্ভাব্য বিবাদের আশঙ্কাও ব্যক্ত করেছেন তিনি।
অটোয়াতে শুক্রবার সিম্পসন বলেন, কানাডা পোস্টের আলোচনার টেবিলে ফেরা দরকার। কানাডা পোস্ট যদি অচলাবস্থা জিইয়ে রাখে তাহলে পোস্টাল ওয়ার্কারদের আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া চাড়া উপায় থাকবে না।
এমন এক সময় এই হুমকি সামনে এল যখন কানাডা পোস্ট ইউনিয়ন তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবে লক্ষণীয় পরিবর্তন না আনা পর্যন্ত কোনো ধরনের আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
সিম্পসন বলেন, পরিচালন কার্যক্রমের ওপর প্রভাব নিয়ে পোস্টাল সার্ভিসের উদ্বেগের কারণেই মূলত ওভারটাইম নিষেধাজ্ঞা থেকে সরে আসার এই সিদ্ধান্ত। তিনি আশাবাদী যে, এই পরিবর্তন আলোচনা আবার শুরু করতে সাহায্য করবে এবং লাভজনক হলিডের ব্যস্ততা শুরু হওয়ার আগেই একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে। আমাদের লক্ষ্য একটি কালেক্টিভ এগ্রিমেন্টে উপনীত হওয়া, বড়দিনের আগেই যা অনুমোদিত হবে।
কানাডা পোস্ট বলেছে, ফ্লায়ার বিতরণ বন্ধের সর্বশেষ এই উদ্যোগ হতাশাজনক, যার ফলে সেবাটি গ্রহণকারী হাজারো কাাডিয়ান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়বে।
কানাডা পোস্টের মুখপাত্র ফিল লেগু এক বিবৃতিতে বলেছেন, ধর্মঘট কর্মকাÐের সর্বশেষ এই উদ্যোগ অনিশ্চয়তায় কেবল বাড়াবে, ব্যবসার ওপর যার বড় প্রভাব রয়েছে।
কানাডা পোস্ট বলছে, ইউনিয়নের সাম্প্রতিক প্রস্তাবের পর দুই পক্ষের মধ্যে এখনো উল্লেখযোগ্য পার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে।
