লিবারেল সমর্থকদের ডাবল টাস্ক

এবার লিবারেল সমর্থকদের ডাবল টাস্ক

এক.

এবার লিবারেল সমর্থকদের ডাবল টাস্ক।

- Advertisement -

একদিকে ফেডারেলে বাই-ইলেকশনে এমপি প্রার্থীর জন্য কাজ করা, প্রচার-প্রচারণা চালানো। অন্যদিকে, প্রভিন্সিয়াল এমপিপি প্রার্থীর জন্য কাজ করা, প্রচার-প্রচারণা চালানো।

প্রায় একই সময়ে ফেডারেল এবং প্রভিন্সের বাই-ইলেকশন অনুষ্ঠিত হলে তা হবে একটি বিরল ঘটনা।

ফেডারেল বাই-ইলেকশন একটু আগে এবং প্রভিন্সের বাই-ইলেকশন একটু পরে হলেও, দুটো বাই-ইলেকশনই প্রায় কাছাকাছি সময়ের ব্যবধানে হতে পারে।

আর মূল আকর্ষণ এবং উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু থাকবে স্কারবোরো সাউথ ওয়েস্ট রাইডিং।

কি লিবারেলরা, আপনারা কি প্রস্তুত?

 

দুই.

ভেনেজুয়েলা এবং ইরানে সফল অভিযান চালানোর পর এটা মোটামুটি নিশ্চিত, আমেরিকা চাইলে যে কোনো দেশের শাসক কিংবা রাষ্ট্রনায়ককে হত্যা কিংবা তুলে আনতে সক্ষম। বিশেষ করে যে সব দেশে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে আমেরিকা ফাঁকি দিতে পারে, সেই সব দেশের শাসককে আমেরিকা চাইলেই টার্গেট করে হত্যা কিংবা আমেরিকার ডেল্টা ফোর্স পাঠিয়ে তুলে আনতে সক্ষম।

এর ফলে বিশ্বের কাছে কী বার্তা যায়?

আমেরিকাই এখন বিশ্বের এক নম্বর সুপার পাওয়ার।

এক নম্বর সুপার পাওয়ার বলার কারণ হচ্ছে, অন্যান্য যে সব সুপার পাওয়ার  আছে তারা আমেরিকার এই অভিযানকে প্রতিহত করতে আসেনি। রাশিয়া কিংবা চীন সুপার পাওয়ার হলেও, তারা কিছু ছোটখাটো বিবৃতি দিয়ে চুপ মেরে যাবে। আমেরিকার এই সব অভিযান থেকে কোনো দেশকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে না।

আমেরিকা তার এলাইদের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। আমেরিকার সবচেয়ে মিত্র দেশ ইসরায়েল আক্রান্ত হলে আমেরিকা তাকে রক্ষা করতে সর্বাগ্রে এগিয়ে আসবে এবং ইসরায়েলকে রক্ষা করবে।

রাশিয়া কিংবা চীনের সেই সক্ষমতা নেই। তারা তাদের মিত্র দেশগুলি আমেরিকার দ্বারা আক্রান্ত হলে রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে না।

আমেরিকা ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে তাদের ডেল্টা ফোর্স দিয়ে তুলে নিয়ে গেল। কোনো সুপার পাওয়ার এগিয়ে আসেনি তাকে রক্ষা করতে।

সেই হিসাবে আমেরিকা এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী এবং অপ্রতিরোধ্য।

রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে সুপার পাওয়ার হিসাবে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য আনার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেটা খুব একটা কার্যকর হয়নি।

বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

রাশিয়া শীতল স্নায়ুযুদ্ধের যুগে বিশ্বকে পুনরায় নিয়ে যেতে সক্ষম হয়নি।

সোভিয়েত সোশ্যালিস্ট রাশিয়া ভেঙে যাওয়ার পর রাশিয়ার পক্ষে আর আগের শক্তিতে আবির্ভূত হওয়া সম্ভব নয়।

ফলে এখন যেটা হবে, সেটি এককেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থাকেই নির্দেশ করে।

আমেরিকাই বিশ্বে ছড়ি ঘুরাবে।

- Advertisement -

Read More

Recent