
নিজের যোগ্যতা, সততা, কর্মকাণ্ড, আচার-আচরণ ও কথাবার্তার মাধ্যমে যদি ভোটারদের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করা যায়, তাহলে ভোটাররাই সিদ্ধান্ত নেবেন কাকে সমর্থন করবেন, আর কাকে করবেন না।
কেউ নিজে ঘোষণা করে দিতে পারেন না যে ভোটাররা কাকে ভোট দেবেন বা কাকে নেতৃত্বের দায়িত্ব দেবেন। ভোট দেওয়া বা সমর্থন করার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভোটারদের স্বাধীন, সচেতন ও স্বতঃস্ফূর্ত সিদ্ধান্ত।
বারবার “আমি এই করেছি, আমি সেই করেছি” বললেই মানুষ বিশ্বাস করবে—বিষয়টি তেমন নয়। ভোটাররা জানেন কে কী করেছেন, অতীতে কার অবদান কতটুকু ছিল, সমাজের জন্য কার বাস্তব কাজ কতটা ছিল। প্রকৃত সামাজিক অবদান আর শুধুমাত্র প্রচারের মধ্যে পার্থক্য মানুষ খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারেন।
আব্রাহাম লিংকনের একটি বহুল পরিচিত উক্তির বাংলা ভাবার্থ হলো—
“কিছু মানুষকে কিছু সময়ের জন্য, কিংবা কিছু মানুষকে সব সময়ের জন্য বিভ্রান্ত করা সম্ভব; কিন্তু সব মানুষকে সব সময় বিভ্রান্ত করা সম্ভব নয়।”
শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠেই ভোটাররা তাদের রায় দেন। সেখানেই নির্ধারিত হয় কে কতটা গ্রহণযোগ্য, কে মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছেন, এবং কাকে তারা নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়ার যোগ্য মনে করেন।
বিঃদ্রঃ লেখাটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে উদ্দেশ্য করে নয়। রাজনীতি ও গণতন্ত্র নিয়ে ব্যক্তিগত কিছু ভাবনা শেয়ার করলাম। যদি এটাকে “আলগা জ্ঞান” বলা হয়, তাতেও আমার আপত্তি নেই!
স্কারবোরো, কানাডা
