
বিগত কয়েক মাসের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অন্টারিওর কোরোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।
কয়েক মাস আগে নতুন সংক্রমনের হার দৈনিক গড়ে ৫০০ জন ছিল। এই হার বর্তমানে দৈনিক গড়ে ৪০০ তে নেমে এসেছে। টরন্টোতে বর্তমানে গড় দৈনিক সংক্রমন ৫০ জন।
গত শনিবার অন্টারিওতে নতুন সংক্রমণ ছিল ৩৭৩ জন আর টরন্টোতে নতুন সংক্রমণ ৪১।
অন্টারিওতে কোরোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার একমাত্র কারন হচ্ছে ভ্যাক্সিনের অভূতপূর্ব অগ্রগতি। ১২+ বয়সের অন্টারিয়ানরা পুরোপুরি ভ্যাক্সিনেটেড হয়েছেন ৮৩.৭৪১% আর একটি ডোজ নিয়ে আংশিক ভ্যাক্সিনেটেড হয়েছেন ৮৭.৮০২%।
ইতিমধ্যে অন্টারিওতে ভ্যাক্সিনের প্রমান দেখানোর বাধ্যবাধকতা রেখে রেস্টুরেন্ট,বার,স্পোর্টস রিক্রিয়েশনাল ফ্যাসিলিটিজ,ক্যাসিনো,বিংগো হল, মিটিং,ইভেন্ট স্পেসে ক্যাপাসিটি লিমিট উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এই ভাবে কোভিড১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী মার্চ -এপ্রিলের মধ্যে মাস্ক ম্যান্ডেট উঠিয়ে নেওয়া হতে পারে। অনেক কর্মস্থলে একমাত্র মেডিক্যাল কারন ছাড়া পুরোপুরি ভ্যাক্সিনেটেড হওয়া বাধ্যতামূলক করার কারনে এবং বিভিন্ন স্থানে প্রবেশের ক্ষেত্রে পুরোপুরি ভ্যাক্সিনেটেড হওয়া বাধ্যতামূলক করার কারনে মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে ৯০% অন্টারিয়ান পুরোপুরি ভ্যাক্সিনেটেড হবার লক্ষ্যমাত্রায় পৌছতে পারে। সেই ক্ষেত্রে অন্টারিও হার্ড ইমিউনিটির মধ্যে চলে আসবে।
সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী মার্চ-এপ্রিল নাগাদ আমরা অন্টারিয়ানরা অনেকটাই স্বাভাবিক জীবনের স্বাদ পেতে শুরু করবো।
স্কারবোরো, কানাডা
