
ওয়েস্টার্ন কানাডায় দাবানল মৌসুম তীব্র হয়ে ওঠায় টরন্টোর একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান ফায়ারফাইটারদের হাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়ার উদ্যোগ জোরদার করছে। গ্লোবালমেডিকের নির্বাহী পরিচালক রাহুল সিং বলেন, আমরা এখন দাবানল মৌসুমের মধ্যে অবস্থান করছি। এরই মধ্যে আপনারা দেশের কিছু অংশ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে দেখেছেন। এটা কেবলই বাড়তে যাচ্ছে। এটা আরও খারাপ হতে যাচ্ছে।
টরন্টোতে প্রতিষ্ঠানটির সদরদপ্তরে ১৯ মে তাদের তৈরি গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী প্রদর্শন করেন সিং। তা হলো একটি পোর্টেবল ওয়াটার পাম্পার, যা পিকআপ ট্রাকের পেছনে বহন করা সম্ভব। তিনি বলেন, আমরা যা করছি তা হচ্ছে, স্থানীয় দমকল বিভাগের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর চেষ্টা। বনের আগুন নেভানোর মাত্র তিনটি উপায় রয়েছে। প্রথমটি হলো মাদার নেচার নিয়ন্ত্রণ, নিশ্চিতভাবেই যা আমরা করতে পারব না। দ্বিতীয়টি হচ্ছে আগুন নেভাতে আরও বেশি কর্মকর্তা মোতায়েন। তৃতীয়টি হচ্ছে জনগণের সক্ষমতা বাড়ানো। বনের মধ্যে আপনি বড় পাম্পার, বড় ইঞ্জিন নিতে পারবেন না। কিন্তু আপনি একটি ট্রাক নিতে পারবেন এবং সেটি যদি ফায়ার ট্রাক হয় তাহলে আপনি সেখানে যেতে পারবেন।
তিনি বলেন, ৬৮টির মধ্যে ৬৭টি পোর্টেবল ওয়াটার পাম্পার বিতরণ করা হয়ে গেছে। আরও ২০টি বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে। ইউনিটগুর্লো মধ্যে চারটি আলবার্টার প্রেইরিতে গেছে। সবচেয়ে দারুণ বিষয় হচ্ছে ইউক্রেনৗয় শরনার্থীরা এডমন্টনে ইউনিটগুলো আমাদের জন্য সংযোজন করেছেন। সুতরাং, সহিংসতা থেকে পালিয়ে কানাডায় এসে শরনার্থীরা তাদর দক্ষমতা কাজে লাগিয়ে এ ধরনের কিট তৈরি করেছেন। গল্পটা দারুণ। সহায়তা সরবরাহের এটা স্মার্ট ও অধিক বৌদ্ধিক উপায়। কারণ, ইউনিটগুলো আমরা সস্তায় ও হাতের কাছে পাচ্ছি। প্রতিটি ইউনিট তৈরি করতে চ্যারিটির খরচ হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার ডলার।
সিং বলেন, তিনি চান গ্রামীণ ও ফার্স্ট নেশন কমিউনিটিগুলো বেশি করে এসব ডিভাইস পাক। গত বছর ছিল আমার দেখা সবচেয়ে খারাপ আগুনের মৌসুম। আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় গত বছর বেশি আগুন জ্বলেছে, বেশি জমি পুড়েছে। ওগুলো খারাপ ইতিহাস।
সিং ফায়ারফাইটারদের প্রশিক্ষণে আরও বেশি অর্থ বরাদ্দের প্রশংসা করলেও তিনি বলেন, কানাডার জনগণ ও ক্রুদের বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামের প্রাপ্যতা থাকা প্রয়োজন। আরও উন্নত প্রস্তুতির নমুনা হিসেবে ফেডারেল সরকার
