মিরজাফর কাহিনী

মিরজাফর কাহিনী

মিরজাফরের ছেলে মিরন ছোট বেলা থেকেই সিরাজুদ্দৌলার জীবন যাপন দেখে আসছিল। মিরন আর সিরাজুদ্দৌলার বয়স কাছাকাছি ছিল। সিরাজুদ্দৌলার বিলাসবহুল জীবন মিরনকে খুব ঈর্ষান্বিত করে তুলেছিল। আর এই ঈর্ষা কাল-ক্রমে জমতে জমতে তার মনে ভয়াবহ প্রতিশোধের আগুন জ্বেলে দিয়েছিল।

সিরাজুদ্দৌলা যখন ধরা পড়ে তিনি তখন প্রান ভিক্ষা চেয়েছিলেন। মিরজাফরের পারিষদের সবাই সিরাজুদ্দৌলাকে কারাবন্দী রাখার অভিপ্রায় প্রকাশ করেছিল।

- Advertisement -

কিন্তু একমাত্র মীরজাফরের পুত্র মিরন এতে বাঁধ সাধে। মিরন সিরাজুদ্দৌলাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।মীরজাফর আদরের পুত্রের এই অভিলাষে বাঁধা দেয়নি।

মিরন সিরাজুদ্দৌলাকে হত্যা জন্য একটি স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই মহাম্মদী বেগ প্রস্তুত ছিল। সে-ই প্রথমে সিরাজুদ্দৌলার বুকে ছুরি চালায়। এরপর মিরনসহ অন্যান্যরা সিরাজুদ্দৌলার উপর ঝাপিয়ে পড়ে তাকে হত্যা করে।

এরপর সিরাজুদ্দৌলার মৃতদেহ হাতীর পিঠে চড়িয়ে সারা শহর প্রদক্ষিন করানো হয়।

মিরন ছিল চরমভাবেই নিষ্ঠুর প্রকৃতির। তার হাতে প্রচুর মানুষ হত্যা হয়েছিল।

কথিত আছে তিনি তার খালা ঘোষেটি বেগমকে মাঝপথে নৌকা ডুবিয়ে হত্যা করেছিলেন। তবে মৃত্যুর আগে ঘোষেটি বেগম মিরনের উদ্দেশ্যে  অভিশম্পাত দিয়েছিলেন, মিরনের মৃত্যু যেন বজ্রাঘাতে হয়।

মিরন একবার দলবলসহ বিহারে গিয়ে তাবু টাংগিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত্রে প্রচন্ড ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়,সেই সাথে বজ্রপাত।

সেই বজ্রপাতের আঘাত এসে পড়ে মিরনের তাবুতে।

শোনা যায় ব্জ্রপাতে মিরনের পুরো দেহ ঝলসে গিয়েছিল।

(এই ইতিহাসটা আমি শুনেছিলাম। স্মৃতি হাতড়ে লিখে ফেললাম। কিছু ভুল কিংবা অসংগতি থাকতে পারে। লেখাটার মধ্যে কিছু শিক্ষা আছে। যে যেমনভাবে দেখেন)

দুই

এই সরকারের মদদে আওয়ামী লীগে নতুন নেতৃত্ব আসতে পারে।।

এই নতুন নেতৃত্ব পুরোপুরিভাবেই বিগত আওয়ামী লীগের বিরোধী হিসাবে আর্বিভূত হবে। এদের প্রধান এবং অন্যতম কাজই হবে পূর্বের আওয়ামী লীগের  ঘোর সমালোচনা এবং চরম বিরোধিতা।

এটা অনেকটাই খন্দকার মোশতাক যে ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন ঠিক সেই ভূমিকাই গ্রহন করতে পারে।

১৯৭৫সালে বংবন্ধু সপরিবারে নিহত হবার পর খন্দকার মোশতাক নতুন দল গঠন করেননি বরং আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব হাইজ্যাক করেছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের অনেককেই তার মন্ত্রীসভায় যোগদানে বাধ্য করেছিলেন আর যারা যোগদান করেননি তাদের তিনি হত্যা করার ব্যবস্থা করেছিলেন। তার মধ্যে চার জাতীয় নেতা অন্যতম।

একই ফর্মুলা এবার একটু ভিন্ন কায়দায় আওয়ামী লীগের উপর এপ্লাই হতে পারে।

এটি আমার অনুমান। এই পরিকল্পনা আরও পরে কার্যকর হতে পারে যদি ড.ইউনুস তার পুলসি রাত পার হতে পারেন।

এই ধরনের আওয়ামী লীগ হবে ড.ইউনুসের পকেট আওয়ামী লীগ।

স্কারবোরো, কানাডা

- Advertisement -

Read More

Recent