বাংলা কথাসাহিত্যের শক্তিমান কথাকার রাশিদা সুলতানা

মুখোমুখি সমরেশ মজুমদার অনুষ্ঠানের

তিবি খুব বেশী লিখেন তা নয়, কিন্ত যতটুকু লিখেন তা সিরিয়াস পাঠককে নাড়িয়ে দিতে, চিন্তার খোরাক জোগাতে যথেস্ট। পত্র পত্রিকায় যে নিয়মিত লিখেন তাও নয়। বই প্রকাশে তাঁর কোন তাড়াহুড়া নেই। তারপরও তাঁর নিজস্ব একটা পাঠকবলয় গড়ে উঠেছে।

তাঁর লেখার সাথে আমার হঠাৎই পরিচয় ঘটেছিল। সম্ভবত: দুই হাজার সাত বা আটের দিকের ঘটনা। একুশে টেলিভিশনে বাংলাসাহিত্যের অন্যতম দিকপাল কথাসাহিত্যিক সমেরশ মজুমদারের একটি সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানের রের্কডিংয়ে রাশিদা আপার সাথে পরিচয়। তিনি ছিলেন ‘মুখোমুখি সমরেশ মজুমদার ‘ অনুষ্ঠানের সঞ্চালক।প্রযোজক হিসেবে ফোন একবার কি দুইবার কথা হয়েছিল। কিন্ত তাঁর লেখালেখি বা পেশাগত জীবন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা ছিল না। রের্কডিংয়ের দিন পরিচয়পর্বের আগে নানান মাধ্যমে তাঁর লেখালেখির খোঁজ খবর জানার চেস্টা করছিলাম। সেই সময় একুশে টিভির ইনফোটেনমেন্ট ডেভলপমেন্টের দায়িত্বে থাকা কবি ব্রাত্য রাইসুভাইয়ের কাছে রাশিদা আপার লেখালেখির ধারণা পাই। পড়ার সুযোগ ঘটে তাঁর গল্পগ্রন্থ ‘আপনা মাসে হরিণা বৈরী’। একেকটি গল্পের বিষয়বস্ত, গঠন, চরিত্রনির্মাণ ভাষাশৈলী ও প্রকাশভঙ্গি চমৎকৃত করে। প্রথম গল্পগ্রন্থটি পড়ে আমার ধারণা পালটে যায়। বিচ্ছিন্নভাবে পড়া হয়ে যায় তাঁর অসংখ্য লেখা। বিশেষভাবে দাগ কাটে উপন্যাস ‘সাদা বিড়ালেরা’। শহুরে আধুনিক মানুষের একাকীত্ব, নিঃসঙ্গতার ভয়াবহতা আর অনিবার্যতার গল্প।

- Advertisement -

এরপর গত একদশকে নানান সময়ে সংগ্রহ করে পড়া হয়েছে তাঁর লেখা ‘আঁধি, পরালালনীল,পাখসাট এবং কাব্যগ্রন্থ ‘জীবনযাপন দক্ষিণ হাওয়া’।

আজ কথাসাহিত্যিক রাশিদা সুলতানার জন্মদিন। শুভ জন্মদিন আপা,অনেক শুভকামনা।

মন্ট্রিয়ল, কানাডা

- Advertisement -

Read More

Recent