
নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকের গ্রাফিতি হতে আদিবাসী শব্দ মুছে ফেলার প্রতিবাদে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সমাবেশে হামলা করে স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি।
ক্রিকেট স্ট্যাম্পের মাথায় বাংলাদেশের পতাকা বেঁধে আক্রমণকারীরা এসেছে। এদের ব্যানারে লেখা ছিলো ‘স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টি’ এবং শ্লোগান ছিলো, ”আমি কে তুমি কে/বাঙ্গালি বাঙ্গালি।”
ছি: ন্যাক্কারজনক এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
ছাত্র নামধারী এই সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন অনন্ত বিকাশ ধামাই, ধন জেত্রা, টনি চিরান, রেং ইয়ং ম্রো, ইসাবা শুহরাত, সুশান্ত, জুয়েল মারাক, বিশাল ত্রিপুরা, শৈলী, ফুটন্ত চাকমা, ডোনয়াই ম্রো, শান্তিময়, এঞ্জেল, শান্তা চাকমা সহ আরো অনেকে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী রূপাইয়া শ্রেষ্ঠা তনচংগ্যা হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। ওর মাথার দুই জায়গায় ছয় ইঞ্চি সেলাই। আঙ্গুল ভাঙ্গা হয়েছে, নখ উল্টে গেছে, রক্তাক্ত শরীরে মাটিতে পড়ে যাওয়ার পর স্ট্যাম্প দিয়ে পায়ে অবিরত বাড়ি দেওয়া হয়েছে, ফলে ভেঙ্গে যাওয়ার অধিক যন্ত্রণা। রূপাইয়ার ভাইও গত জুলাই গণভ্যুত্থানে আহত হয়েছিলেন।
আদিবাসী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
দুই. ভয়, হুমকির সংস্কৃতি ফ্যাসিবাদের জন্ম দিবে
‘ফ্যাসিবাদের পক্ষে যে কলম দিয়ে লেখা হবে, তা ভেঙে দেওয়া হবে’ – হাসনাত আবদুল্লাহর এই হুমকি পরোক্ষভাবে নতুন ফ্যাসিবাদের জন্ম দেয়ার ইংগিত।
এ ধরনের মন্তব্যের নিন্দা জানাই।
ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে গনতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। বরং ফ্যাসিবাদ ও নৈরাজ্যবাদকে উস্কে দেয়। ফ্যাসিবাদ রুখতে প্রয়োজন রাস্ট্রের সর্বত্র গনতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, গনতান্ত্রিক চিন্তার প্রসার ও জনগনকে সচেতন করা।
জুলাই গণভ্যুত্থানের পর ভয়ের সংস্কৃতি পুণ:প্রতিষ্ঠা জনগন মেনে নেবে না।
মন্ট্রিয়ল, কানাডা
