একলা পথচারী

প্রায় ঘণ্টাখানেক হাসফাস করে আলিজা চোরা চোখে উঁকি মারলো ডানপাশে

প্রায় ঘণ্টাখানেক হাসফাস করে আলিজা চোরা চোখে উঁকি মারলো ডানপাশে। আবরারকে না দেখে চমকালো সে। শান্তভাবে উঠে ধীরে ধীরে পা ফেলে বাহিরে গেল। বেলকনি ও খালি, কেউ নেই। কিছুটা ঘাবড়ালো আলিজা। আবরার ভাই আবার কিছু করে বসেনি তো। আলিজা নিচতলায় নেমে দেখল, পুরো শান্ত নিচতলা। শুধু রুমের ভেতর থেকে ফ্যানের শব্দ ছাড়া আর কিছু আসছে না। আলিজা দুহাত কোমরে বেধে কিছুক্ষণ স্থির থেকে জোরে শ্বাস ফেললো। একবার ভাবলো ফুফুকে ডাক দিয়ে বলবে, পরমুহূর্তে ভাবলো একবার ছাদে গিয়ে দেখা যাক। কখনও এভাবে গভীর রাতে আলিজা ছাদে যায়নি, ভয় লাগে তার। আজ আর ভয় কাজ করেনি, সব ভয় যেন ফুরুৎ করে উড়ে গেছে। কিছু ঘণ্টা আগেও যে ছিলো শুধুমাত্র তার নিকট আত্মীয় সেই মানুষটার জন্য এখন সে সবকিছু করছে। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরপরই যেন তার দায়িত্ব বেড়ে গেছে। আবরার ভাইয়ের সবকিছুতে যেন সে জড়িয়ে আছে। আলিজা ওড়না ভালো করে গায়ে জড়িয়ে ছাদে উঠলো। আকাশ পরিষ্কার আর আধো আধো জোৎস্না থাকায় সে দেখতে পেল আবরারকে। আবরার উপরে তাকিয়ে আর মৃদু সুরে কাঁদছে আর বিলাপ করছে। দৃশ্যটা দেখেই আলিজার কলিজা ছ্যাত করে উঠলো। ইশ! আবরার ভাই কতটা কষ্ট পাচ্ছে। এত ভালো একজন মানুষকে কীভাবে ঠকাতে পারলো মেয়েটা। আলিজা এগিয়ে গেলো। শান্ত স্বরে ডাকলো, “আবরার ভাই।” আবরার সাথে সাথে চোখ তুলে তাকালো আলিজার দিকে। স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল, “তুই এখানে এত রাতে? কেন?”

“তোমাকে অনেকক্ষণ যাবত ঘরে দেখিনি, সারা বাড়িতে খুঁজেও পেলাম না। তাই বাধ্য হয়ে ছাদে আসছি, তুমি এখানে আছো কিনা দেখতে।”

- Advertisement -

“দেখছিস এবার যা।” সিগারেটের ধোয়া উড়িয়ে বলল আবরার।

“তুমিও চলো না। এতরাতে এখানে থাকিও না। রুমে চলো।”

আবরার ধমক দিয়ে উঠলো, “যা বলছি। তুই তোর মতো ঘুমা। আমার চিন্তা তোর করতে হবে না।”

আলিজার রাগ হলো। সে তখনই চলে আসলো রুমে। নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকলো কতক্ষণ। তার অজান্তে তার চোখ বেয়ে টপাটপ পানি পড়তে লাগলো। সে রিয়েলাইজ করল, আবরার ভাইকে আমার প্রতি আকৃষ্ট করা এতটাও সহজ না।

এভাবেই চলতে লাগলো আবরার আর আলিজার রাতদিন। আবরার সবসময় মন খারাপ করে থাকে, গভীর রাতে ছাদে গিয়ে বসে থাকে। সিগারেট খায়। গুনগুন করে দুঃখের গান গায়। আলিজার এসব খারাপ লাগে। যখন খারাপ লাগে তখন কাঁদে নিরালায়।সে চায় আবরার তার সাথে সুন্দর করে কথা বলুক, গুরুত্ব দিক কিন্তু আবরার তা করে না।  তবু সে হাল ছাড়ে না। সে আবরার ভাইকে তার নিজের করেই ছাড়বে—ভাবনা এরকম।

মাসখানেক পর আবরার কিছুটা স্বাভাবিক হয়। আগের মতো আর কাঁদে না। ছাদে গিয়ে বসে থাকে না। আলিজার সাথে ভালো কথা কয়, কাজিন থাকাকালীন যেমন বলতো। তবে তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর কোন সম্পর্ক নেই। এই বিষয়টা নিয়ে আলিজা দুশ্চিন্তায় ভুগছে। ধুকে ধুকে মরছে। কিন্তু মুখ ফুটে কিছু বলতেও পারছে না আবরারকে। এই ক’দিনে আবরার তার কাছে বিশেষ মানুষ হয়ে উঠেছে। একদম নিজের মানুষ। মায়ায় পড়ে গেছে তার। আবরার ঘুমালে সে অপলকহীন তাকিয়ে থাকে। হাজারও জল্পনা-কল্পনা সাজায় আবরারকে নিয়ে। আলিজা ঠিক করলো, সে সাহস করে বলে ফেলবে আবরারকে তার মনের কথা। কিন্তু তখন আবারও আবরারের মাঝে নতুন পরিবর্তন লক্ষ্য করল সে। আবরার ইদানীং অনেক লেট করে বাসায় ফেরে। বাসায় এসে বাকিরাত টুকু ফোন টিপে কাটিয়ে দেয়। ভোরে ঘুম পড়ে।  আলিজা কথা বলতে গেলে বকে না, কিন্তু তেমন গুরুত্ব দেয় না। বিষয়টা ভীষণ বাজে লাগে আলিজার। তার কান্না পায় ভীষণ। ভেতরে ভেতরে শেষ হয়ে যাচ্ছিলো সে। একদিন তো নিজেকে সামলাতে না পেরে বলেই ফেলল, “আবরার ভাই, রাত করে বাসায় ফিরবে না। ভালো লাগে না আমার।”

আবরার তখন ভ্রু কুঁচকালো আলিজার কথায়। তারপর বলল, “বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে একটু ভালো আছি আমি। রোজ লেট করে ফেলব, তাতে তোর কি? তোর ভয় লাগে নাকি? ভয় লাগলে মায়ের কাছে গিয়ে ঘুমাস।”

আবরারের কথা শুনে রাগে জেদে কাঁপতে লাগলো আলিজা। ফুড়ুৎ করে বলে ফেলল, “আমি বউ হই তোমার, আবরার ভাই। আমাকে এভাবে বলতে পারো না। তুমি আমাকে এড়িয়ে চলো, গুরুত্ব দেওনা, এসব ভালো লাগে না আমার।”

“আমাকে বিয়ে করতে বলছে কে তোকে? করলি কেন?”

চট জলদি উত্তর দিল আলিজা, “তুমি করোনি? তুমিও তো করেছো! একটা চলে যাওয়া মেয়ের জন্য পাগল হয়ে আছো তুমি। পাগলামো করছো রোজ। তাকে ভোলার জন্য রাত করে বাসায় ফিরছো। এটা একদম মানব না আমি।”

আবরার দায়সারা জবাব দিল, “না মানলে নাই। আমি আমার মতো চলবো।” এই বলে আবরার ফোনটা নিয়ে বাহিরে চলে গেলো। আলিজা রাগে কাঁপতে লাগলো। হাত মুঠ করে বারবার ছাড়তে লাগলো। ঠিকঠাক ঝগড়া না করে মাঝখানে রেখে কেউ চলে গেলে তার ভীষণ রাগ হয়, ভীষণ। তার ইচ্ছে করছে এক্ষুনি আবরার ভাইয়ের মাথাটা ফাটিয়ে দিতে। ঘনঘন শ্বাস উঠতে লাগলো তার। মনে মনে ঠিক করল, “ছেড়ে তো আমি সহজে যাব না তোমাকে, আবরার ভাই। দেখো আমি কি করি!”

আলিজার আরেক ফুপির বাসা তাদের বাসার প্রায় অনেকটা কাছাকাছি। সে তার ফুপুর সাথে আলোচনা করে একটা নতুন চাল চাললো। প্রতিদিন আলিজা রাত বারোটা একটায় বাসায় ফিরতে লাগলো। তার একটা আলাদা টিম হয়েছে। ফুপাতো ভাই-বোন আর ফুপু। তারা সবাই মিলে ফলো করে কখন আবরার বাসায় ফিরবে, আবরার ফেরার দশ বিশ মিনিট পর আলিজাকে তারা এগিয়ে দেয়। বাসায় এসে খেয়ে তারপর সেও আবরারের মতো ফোন নিয়ে বসে। ভাব এমন করে, যেন সে চ্যাট করে হাসছে। পুরোপুরি উপেক্ষা করতে লাগলো আবরারকে। আগে যেমন সেদেদিধে কথা বলতো, এখন আর তাও করে না। খাবারও নিয়ে আসেনা রুমে। আবরার নিজে গিয়ে ডাইনিংয়ে খেয়ে আসে। আলিজার এমন রাতারাতি পরিবর্তন দৃষ্টি এড়ালো না আবরারের। রাত করে ফেরা দেখে তার মনে নানান জল্পনা উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। মনে মনে ভাবছে, এত রাতে সে কোথা থেকে ফিরে? যায় বা কোথায়? আজ সে জিজ্ঞেস করেই ফেলল, “তুই এতরাত করে ফিরিস কেন প্রতিদিন? কোথায় থাকিস এতক্ষণ?”

আলিজা শুনেও না শোনার ভান করলো। হাতের ফোনে তার পুরোপুরি মনোযোগ। আবরার দাঁড়িয়ে ছিল, সে আলিজার পাশে গিয়ে দাঁড়ালো। এক ঝটকায় টান দিয়ে আলিজার হাতের ফোন নিজের আয়ত্তে নিয়ে আসলো। কড়া গলায় বলল, “আগে উত্তর দে! মেয়ে মানুষ হয়ে ক’দিন ধরে এতরাতে কোথায় থাকিস?”

আলিজা হেসে উঠলো। হেসে বলল, “বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই।”

“কিহ?” বলে চমকালো আবরার।

আলিজা এবার সিরিয়াস হয়ে বলল, “আমারও তো মন খারাপ থাকতে পারে আবরার ভাই। মন খারাপ দূর করতে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার বিকল্প আর কী হতে পারে?”

আবরারের চেহারা কিছুটা শান্ত হলো। আস্তে করে বলল, “তাই বলে এতরাতে বাহিরে থাকবি? এটা একদম অনিরাপদ। দেশের অবস্থা জানিস? রোজ মেয়েদের সাথে কত দুর্ঘটনা ঘটে! কাল থেকে যেন আর রাত করে বাসায় ফেরা না হয়। দরকার হলে দিনে যাবি, আড্ডা দিবি।”

“আমি গেলে কি আর না গেলেই বা তোমার কী? তুমি তোমার মতো থাকো, আমি আমার মতো। আমাকে বাধা দিতে আসিও না।”

“তুই বোন হস আমার, তোর প্রতি আমার একটা দায়িত্ব আছে।”

আলিজার রাগ হলো, সে দাঁত কিড়মিড় করে চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, “বোন মাই ফুট! তোমার সাথে বিয়ে হয়েছে আমার। এটা কি ভুলে যাও?”

আবরার হঠাৎ হেসে উঠল। দুলে দুলে হাসে আর বলে, “সত্যি ভুলে যাই আমি, ভুলে যাই!” আবরারের এমন মন খোলা হাসি দেখে আলিজার চেহারার সব রাগ উবে গিয়ে সে হেসে ফেলে। মুখ ঘুরিয়ে হাসে সে। আবরারের হাসি থামলে আলিজা কাঠ কাঠ করে বলে, “আমি সেদিন থেকে রাত করে বাসায় ফেরা বাদ দেবো যেদিন থেকে তুমি আর রাত করে বাসায় ফিরবে না।”

আবরার অবাক হয়ে খাটের এক পাশে বসে। কপাল কুঁচকে আলিজার চোখ বরাবর তাকিয়ে বলে, “আমি তো তোকে পিচ্চি ভাবতাম। আর তুই এত প্যাচ জানিস সেটা জানতাম না। তার মানে তুই ইচ্ছে করে এমন করছিস আমাকে আটকানোর জন্য?”

আলিজার মুখ নিভে যায়। চোখে জ্বল চিকচিক করে। নিজেকে সামলাতে না পেরে হু হু করে আচমকা কেঁদে উঠে সে। আবরার বিচলিত হয়। আলিজার চিবুক ধরে বলে, “আরে কাঁদার কী আছে? কাদছিস কেন পাগলের মতো?”

আলিজা বসে পড়ে আবরারের পা বরাবর। ফুপিয়ে ফুপিয়ে  কাঁদতে থাকে। তার ভেতরের সমস্ত কষ্ট যেন এক ঝটকায় কান্না হয়ে বের হতে চাচ্ছে।

“আরে পাগলী মেয়ে, কাঁদিস না, চুপ কর।”

“আমি আর পারছি না আবরার ভাই! আপনি তো অনেক বড় মানুষ। অনেক কিছু বুঝেন। আপনি বুঝেন না আমার মনের অবস্থা? আমার তো কোনো দোষ নেই। আমাকে শাস্তি দেওয়ার মানে কী? আপনাদের সম্মান বাঁচাতে আমি কেন বলি হলাম? তুমি আমাকে বউ হিসেবে মেনে নিতে পারবেনা, তখন বিয়ে কেন করলে? বিয়ের আজ এতদিন হলো, স্বামী কি, কেমন হয় সেটা এখনও বুঝলাম না আমি। আমার ভেতর ফেটে যাচ্ছে আবরার ভাই! আমি আর সহ্য করতে পারছি না।”

আবরারের মুখ ফ্যাকাসে হয়ে উঠে। ভেতরে কিঞ্চিৎ চিনচিন করে উঠে। অপরাধবোধ কাজ করে নিজের মধ্যে। আলিজা এখনও প্রায় তার তুলনায় বাচ্চা।  আবেগেরই বয়স তার, খামাখা কাঁদে। সে আলিজাকে তুলে টেনে নিল বুকে। পিঠ চাপড়ে বলল, “তোর অবস্থা আমি বুঝতে পারছি। বিশ্বাস কর, আমি নিজেই কদিন থেকে চেষ্টা করছি তোর দিকে আকৃষ্ট হতে। তোকে ভালো রাখতে। কিন্তু আমি আর পারছি না। তার কথা মনে পড়তেই সব ভাবনা শেষ হয়ে যায়। মন ভাঙার কী যে কষ্ট আলিজা, তুই বুঝবি না। আমি তোকে কথা দিচ্ছি, আমি মুভ অন করব। তোর সাথে সময় কাটাবো। তোকে ভালো রাখার চেষ্টা করব। চলে যাওয়া মানুষকে নিয়ে আর পড়ে থাকব না।”

আলিজা মন দিয়ে শুনল আবরারের কথাগুলো। আলগা হয়ে আবরারের দিকে তাকিয়ে দেখে, চোখ বেয়ে পানি পড়ছে অনবরত তার। আবরার বসে সোফায়। আলিজা সাহস করে ওড়নার আঁচল দিয়ে আবরারের চোখের পানি মুছে দেয়। সে আবরারের এসব সহ্য করতে পারে না। ভীষণ মন খারাপ হয় তার আবরারকে দুঃখী দেখলে।

বাহিরে তখন তুমুল বাতাস নামে। রুমের পর্দাগুলো এলোমেলো উড়তে থাকে। আলিজা উঠে গিয়ে জানলা লাগায়। দুই মিনিটের ব্যবধানে শুরু হয় ঝুমবৃষ্টি আর বাতাস। আলিজা আবরারের হাত ধরে। বলে, “আমার সাথে এসো আবরার ভাই।”

“কোথায়?”

“বাহিরে।”

“বৃষ্টি হচ্ছে তো!”

“তুমি তো নীলার জন্য অনেক কেঁদেছো, কখনো কি চিৎকার করে কেঁদেছো? কাঁদোনি? আজ এই ঝুমবৃষ্টিতে চিৎকার করবে, কাঁদবে, রাগ, ক্ষোভ, দুঃখ যা আছে সব বলবে। দেখবে অর্ধেক পাথর নেমে গেছে বুক থেকে। কষ্ট শীতল হয়ে আসছে।”

আবরার আলিজার কথামতো ছাদে যায়। ছাদ অন্ধকার। পাশের ফ্ল্যাটের বেলকনি থেকে আসা মৃদু আলো ছাদে ছড়িয়ে আছে। আবরার আলিজার কথামতো চোখ বন্ধ করে চিৎকার করে, যতসব বলার দরকার বলে। আলিজা দাঁড়িয়ে থাকে পেছনে। বৃষ্টির ফোটা আবরারের মতো তাকেও ধুয়ে দিচ্ছে। দশ মিনিট পর আবরার আলিজাকে বলে, “রুমে চলো। আর বেশি ভিজলে দুজনের জ্বর আসবে।”

সিঁড়ি বেয়ে নামতে নামতে প্রশ্ন করল আলিজা, “কেমন লাগছে আমার পদ্ধতি ট্রাই করে?”

“অনেক অনেক ভালো। আমি বৃষ্টি নামলেই এটা ট্রাই করব। মন খুলে চিৎকার করলে সত্যি ভেতর থেকে হালকা লাগে।”

আলিজার দিন ভালো কাটতে লাগলো। আবরার এখন আলিজাকে বোঝার চেষ্টা করে। আলিজার সাথে খুঁজে খুঁজে কথা বের করে আড্ডা দেয়। আলিজাকে নিয়ে ঘুরে। রেস্টুরেন্টে গিয়ে একসাথে খায়। আলিজাকে সে ভেতর থেকে বউ হিসেবে মেনে নেওয়ার জন্য কোন চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না। স্বামী স্ত্রীর কোনো সম্পর্ক গড়ে না উঠলেও আবরার যে আলিজাকে মনের মধ্যে রাখার চেষ্টা করছে, এটাই অনেক। এতেই খুশি আলিজা। সে জানে খুব শীঘ্রই আবরার তারই হবে। আর কত দূরে থাকবে? একবার নিজের হয়ে গেলে কোনো কিছু পাওয়ার আর বাদ থাকবে না। তার জীবন হয়ে উঠবে শান্তিময়। যেখানে বিরাজ করবে শুধু শান্তি আর ভালোবাসা। আবরারের হাত ধরে সে অনায়াসে বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে পারবে! সে এখন মাঝেমধ্যে মাঝরাতে ঘুম ভাঙ্গলে কিংবা মন কেমন করলে হুটহাট আবরারকে জড়িয়ে ধরে। বুকের গন্ধ নেয়। চুলে নাক ডুবায়। আবরার তাতে রেসপন্স করে না কিন্তু বাধা দেয় না। সব মিলিয়ে আলিজার জীবন এখন বিন্দাস।

- Advertisement -

Read More

Recent