
ঝরছে দেখি ঘাম শ্রমিকের
এ-তো শুধু ঘাম নয়
নব সভ্যতার শ্রমজল
কষ্টে জুটে না পুষ্টি যাদের।
শ্রমিকের গড়া সভ্যতা
হতাশায় গুমরে কাঁদে
শ্রম বধূর চোখ ছলছল
পুঁজিবাদী মে দিবস, ভেংচি।
শ্রমিক শ্রমিকা কষ্টে গড়ে
পুঁজিবাদী সাজঘর
তাদের সংসার সাজানো
দিনশেষে ভাঙা বস্তিঘর।
শ্রমিকের স্মরণে দিবস রাঙানো
মিছিলের সামনে পুঁজিপতি
মে মাসের প্রথম দিনে দেখি
মানিব্যাগ যার সে-ই সভাপতি।
পুঁজিবাদী দিবস বলো
বলো পুঁজিবাদী রাত্রি,
শ্রম আর ঘাম সব শ্রমিকের
নেতার পুঁজি বাড়ে বারবার
শ্রমিক দেহখানি হাড্ডিসার
পুঁজিপতির পুঁজির ভারে
ভাঙে শ্রমজীবীর বুকের হাড়।
সরল যতো শ্রমিক সংঘ
বুঝে না আজও পুঁজিতন্ত্র
সভাপতি সেতো নেতাজি নয়
কথার মারপেঁচে শোষণ যন্ত্র।
স্বাধীনতা নাই আছে বিদ্রুপ
মানবতা নাই আছে বঞ্চনা
বিদ্রোহ চাই বিপ্লব চাই।
নারী কোমড়ে প্যাঁচাও আঁচল
শ্রমিক শ্রমিকা শক্তি গড়ো
হে যৌবন ধরো শ্রমিকের হাত।
জাগুক সাম্যবোধ সব প্রাণে
সাম্যবাদ চাই সাম্যবাদ।
নিরবে নিরবধি করে শ্রবণ
পোশাকি নেতার বাণী
শিশু বুকে শ্রমিক শ্রমিকা,
মে দিবসের ক্যানভাসে আঁকা
এমন ছবি কোনো গৌরবের নয়
শ্রমিক রক্তে গ্লোবাল সভ্য গ্লানি।।
