
মেডিকেল স্কুলে আবেদনকারীদের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বর্ণবাদী ও অন্যান্য ঘৃনাত্মক মেসেজের নিন্দা জানিয়েছেন কুইবেকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাসক্যাল ডেরি। দ্য গেজেট গত সপ্তাহে খবরটি প্রকাশ করার পরই তিনি এই নিন্দা জানালেন।
ডেরির প্রেস আটাশে সিমন স্যাভিনাক সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, কুইবেকে এ ধরনের সহিংসতার আহ্বান এবং ঘৃণার প্রকাশের কোনো জায়গা নেই। সবেচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো এসব মন্তব্যকারীরা চিকিৎসক হওয়ার আকাক্সক্ষা করছেন, যাদের ওপর কুইবেকবাসীর স্বাস্থ্যের দায়িত্ব থাকবে। ডসন কলেজের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার আমরা তাদের প্রশংসা করছি। সব শিক্ষার্থীর জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরির জন্য তদন্ত শুরু করা সঠিক কাজ হয়েছে। যদিও এই পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক দুর্বৃত্তকে শনাক্ত করা কঠিন তারপরও কারো কাছে এ সংক্রান্ত তথ্য থাকলে তাদেরকে স্কুল ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে তা অবহিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।
দ্য গাজেট তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, ডিসকর্ড অনলাইন চ্যাট ফোরামে করা ইহুদিবিদ্বেষী, নারীবিদ্বেষী, কৃষ্ণাঙ্গবিরোধী এবং আদিবাসীবিরোধী মন্তব্যের উৎস খুঁজতে ডসন কলেজ তদন্ত শুরু করেছে। কুইবেকের চারটি মেডিকেল কলেজে আবেদন প্রক্রিয়া জানতে শিক্ষার্থীদের একটি চ্যাট ফোরাম এটি। ঘৃণাত্মক এই কনটেন্টের ছড়ানো অন্তত একজন দৃর্বৃত্ত ডসন কলেজের হেলথ সায়েন্স প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী বলে অভিযোগ উঠেছে। এবং সম্প্রতি তিনি মেডিকেল স্কুলে ভর্তির আবেদন করেছেন।
ডিসকর্ড মেড সার্ভারে ইহুদি ও এলজিবিটিকিউ২এস+ কমিউনিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে সহিংতার হুমকিমূলক পোস্টও রয়েছে। অন্তত দুটি অভিযোগ পাওয়ার পরও ফৌজদারি তদন্ত শুরু হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত বা অস্বীকার কোনোটিই করেনি সার্ভিস ডি পুলিশ ডি লা ভিল ডি মন্ট্রিয়ল (এসপিভিএম)। একটি অভিযোগ করেছেন একজন মেডিকেল শিক্ষার্থী এবং অন্যটি এসেছে ইহুদি চিকিৎসকদের প্রতিনিধিত্বকারী একটি অ্যাড-হক গ্রুপ থেকে।
এসপিভিএমের মুখপাত্র মেলানি বার্গারন এক ইমেইলে বলেন, বিরল ব্যতিক্রম ছাড়া গোপনীয়তার স্বার্থে এসপিভিএম কখনোই কোনো ব্যক্তি বা আইনি প্রতিষ্ঠান কোনো অভিযোগ করেছেন কিনা তা নিশ্চিত করে না। যেকোনো তদন্তের ক্ষেত্রেই একই নিয়ম প্রযোজ্য। তাই এখানে লুকানোর কোনো ব্যাপার নেই।
