
জুলাই গণভ্যুত্থানের পর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক কিংবা ছাত্র নামধারীদের উৎপাতে সাধারণ মানুষের জীবন দূর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কিছু হলেই এরা সমন্বয়ক, এরা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মী পরিচয় দিয়ে মানুষের ওপর চড়াও হচ্ছে, প্রশাসন ও পুলিশকে কাজে বাধাগ্রস্থ করছে। এদের মুখের ভাষা, শারীরিক ভঙ্গি এতো কদর্য দেখলে মনে হয় না ছাত্র বা কোন ভাল শিক্ষায় শিক্ষিত।
কতগুলো ভিডিও দেখলাম, যেখানে পুলিশকে জোর করছে আওয়ামী দোসর বলে কাউকে গ্রেফতারের জন্য। পুলিশের দায়িত্বরত কর্মকর্তা অনেক ধৈর্যের সাথে সমন্বয়ক পরিচয় দেয়া ছেলেগুলোর ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ সহ্য করে কথা শুনছিলেন। এক পর্যায় পুলিশের কর্মকর্তা তাদের জানান, যার নামে কোন মামলা নেই, তাকে গ্রেফতার করা যায় না। আপনারা অভিযুক্ত ব্যক্তির নামে মামলা করেন।
তারপরও সেই সমন্বয়ক নামধারীদের লম্ফঝম্ফ না থামায়, সরকারী কাজে বাধাগ্রস্থ করা এবং পুলিশের সাথে অসাদাচরণের জন্য ৩ জনকে পুলিশ গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। এগুলোর বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেয়া এবং অসাদাচারণের জন্য মামলা হওয়া উচিৎ।
জুলাই- আগস্টের গণভ্যুত্থানের পর এতো দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে,লিখতে হবে কিংবা অবস্থান নিতে হবে ভাবনায় ছিল না। এসব সমন্বয়ক নামধারীরা দেশটাকে মবের মুল্লুক বানিয়ে ছেড়েছে। ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়ে যেন দেশের সকল কিছুর মা বাপ হয়ে গেছে। দিন দিন এদের কার্যক্তম ও আচরণে অতিষ্ঠ ও বিরক্ত হয়ে গেছি। এদের প্রতি এখন কোন সিমপ্যাথি কাজ করে না। এটা শুধু আমার না, সারাদেশের মানুষ চরম বিরক্ত।
এই মুহুর্তে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিলুপ্তি এবং সারাদেশে সকল সমন্বয়কদের অব্যহতি দেয়া জরুরি। না হলে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ যেভাবে নেমেছিল, তেমনভাবে মানুষ সমন্বয়ক নাম শুনলেই রাজপথে নেমে লাঠি হাতে তাড়াবে।
মন্ট্রিযল, কানাডা
