
মিডটাউন টরন্টোতে তার স্কুলে গুরুতর অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশনের পর এখন অনেকটাই ভালো বোধ করছে রিলে। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
১০ বছর বয়সী এই শিক্ষার্থী সিটিভি নিউজকে বলেন, বাদাম থাকা কিছু একটি আমি খেয়েছিলাম। এটাতে যে বাদাম ছিল সেটা আমি জানতাম না। কারণ, এটা ছিল একটি সাধারণ ব্যাগ।
খারাপ লাগা শুরু হলে সকাল ১০টার কিছু পরে বিষয়টি সে তার শিক্ষককে জানায় এবং স্কুলের কার্যালয়ে যায়। রিলের ভাষায়, আমার শ্বাস যখন বন্ধ হয়ে আসছিল তখন তারা আমাকে আমার এপিনপেন দেন।
ব্যাথার্স্ট স্ট্রিট এবং গ্লেনকেয়ার্ন এভিনিউয়ে অবস্থিত স্কুলটি ১০টা ১৭ মিনিটের দিকে ৯১১ এ ফোন করে। দ্রুতই সাড়া পাওয়া যায় এবং তারা অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এদিকে রিলের অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল না এবং তাকে দ্বিতীয় দফা এপিনপিন দেওয়া হয়।
রিলে বলে, অ্যাম্বুলেন্সের জন্য যখন অপেক্ষা করছিলাম তখন আামি খুব ভয় পেয়েছিলাম।
টরনেটা প্যারামেডিকরা সিটিভি নিউজকে বলেন, ক্রুরা যখন রাস্তায় তখন কলের অগ্রাধিকার হালনাগাদ করা হয়। সেখানে পৌঁছাতে তাদের সময় লাগে মোট ১৯ মিনিট।
রিলের মা আমান্দা ডেল বলেন, আমার ছেলের স্কুল মিডটাউন টরন্টোতে এবং সেখানে অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছাতে এত সময় লাগার কোনো কারণ থাকতে পারে না।
১০ বছর বয়সী এই শিক্ষার্থীর ভাষ্যমতে, সৌভাগ্যবশত টরন্টোর জুইশ কমিনউনিটি পরিচালিত জরুরি সেবা হাটজোলোহকে ডাকার তিন মিনিটের মধ্যে সাহায্যের জন্য সেখানে পৌঁছে যায়। তারা তাকে সহায়তা করে। কিন্তু তারা রোগীকে হাসপাতালে পাঠাতে পারেনি।
রোগীদের ৯১১ কল অথবা অ্যাম্বুলেন্স সেবা পেতে এ নিয়ে গত পাঁচদিনে তৃতীয়বারের মতো বিলম্বের খবর এল সিটিভি নিউজের কাছে।
টরন্টো পুলিশ সার্ভিস জানিয়েছে, অপেক্ষমাণ সময় কমিয়ে আনা টরন্টো পুলিশ সার্ভিসের প্রথম অগ্রাধিকার। আমরা ৩০ জন কমিউনিকেশন অপারেটর নিয়োগদানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছি, যাতে করে আমাদের সক্ষমতা শক্তিশালী হয় এবং সাড়া দেওয়ার সময়ের উন্নতি হয়।
